প্রকাশ: রোববার, ৩ মে, ২০২৬, ১০:১৩ এএম

সারা দেশের মতো গোপালগঞ্জ জেলাতেও শুরু হয়েছে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস। গতকাল শনিবার বিকেলে গোপালগঞ্জ ফুটবল স্টেডিয়ামে এই আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও ফরিদপুর বিভাগীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান মোল্লা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর, গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রফিকুউজ্জামান।
তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দিয়ে গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, সন্তানদের সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে খেলাধুলায় উৎসাহিত করা প্রয়োজন। গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জিলানী বলেন, খেলাধুলা একটি শক্তিশালী সামাজিক হাতিয়ার। এটি বিনোদনের মাধ্যম। যুব সমাজকে খেলাধুলার মাধ্যম্যে মাদকাসক্তি থেকে দূরে রাখা সম্ভব। তিনি প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরি করার পরিকল্পনা আছে।
প্রধান অতিথি গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান মোল্লা বলেন, একজন মেধাবী খেলোয়াড় যেন তার দক্ষতাকে পেশা হিসেবে নিতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার হবে। খেলাধুলা এখন একটি সম্ভাবনাময় পেশা। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের এই উদ্যোগের ইতিহাস বেশ পুরোনো। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালে ‘নতুন কুঁড়ি’ কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সময়ে আবারও নতুন করে প্রতিভাবান কিশোর-কিশোরীদের খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম তারেক সুলতান। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রাফিকুজ্জামান, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব অ্যাড.আবুল খায়ের,জেলা বিএনপি নেতা অ্যাড.এমএআলম সেলিম, অ্যাড.তৌফিকুল ইসলাম, এম মাহবুব আলী সোহেল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শিকদার শহীদুল ইসলাম লেনিন প্রমুখ। এতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এই প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য হলো ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী তরুণদের মধ্যে ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনা। প্রথম দিনের খেলায় ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বালক ও বালিকা উভয় বিভাগেই মুকসুদপুর উপজেলা দল কাশিয়ানী উপজেলা দলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে।
জ/দি