প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫, ১২:০১ পিএম আপডেট: ১৪.০৮.২০২৫ ১২:৩২ পিএম

মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি কর্মচারীদের বেতন সমন্বয়ের লক্ষ্যে গত ২৭ জুলাই সরকার ২৩ সদস্যের ‘জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫’ গঠন করে। বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পর্যালোচনা করে সরকারের কাছে সুপারিশ দেওয়াই এ কমিশনের মূল কাজ।
সরকারি কর্মচারীদের বেতন সমন্বয়ের লক্ষ্যে আজ অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় বেতন কমিশনের প্রথম সভা। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১১ টায় সচিবালয়ের পুরাতন ১ নম্বর ভবনের সাবেক মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন কমিশনের সভাপতি ও সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খান। কর্মচারীর পরিবারের সদস্য সংখ্যা ছয়জন ধরে আর্থিক ব্যয়ের হিসাব করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথম সভা থেকে শুরু করে আগামী ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশ জমা দেবে কমিশন।
গত সোমবার জাতীয় বেতন কমিশনের সদস্যরা অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। দেশের আর্থ–সামাজিক অবস্থা ও মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় রাখতে হবে।
জানা যায়, এ কমিশন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি মঞ্জুরিপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পর্যালোচনা করে সরকারের কাছে সুপারিশ দেবে। তবে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের বিষয়টি জাতীয় বেতন কমিশনের বাইরে রাখা হয়েছে।
বর্তমানে ২০১৫ সালের পে স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০টি বেতন গ্রেড রয়েছে। প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এ পে স্কেল অনুসারে বেতন-ভাতা পান।