
আষাঢ় জুড়ে বৃষ্টি ছিল। শ্রাবণেও সেই ধারা অব্যহত রয়েছে। বৃষ্টির সাথে পাল্লা দিয়ে রাজশাহীতে বাড়ছে কাঁচা সবজির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে সবজি দাম ১০ টাকা থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে আলুর দাম কেজিতে ৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়।
বিনোদপুর কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ১৫০ টাকা, পেঁপে ৩৫ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঢেড়স ৫০ টাকা, বেগুন ৭০ টাকা, করলা ৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম বেড়ে যাওয়াতে নিম্ন আয়ের মানুষের মাথায় হাত।
তবে রাজশাহী নগরের বাজারে এসেছে মুল, ফুলকপির মতো মৌসুমি সবজিও। প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, আর ফুলকপি ১০০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মমিন আলী বাজার করতে এসে জানালেন, বিনোদপুর বাজারে তিনি নিয়মিত বাজার করেন। আগে থেকেই বেগুনের দাম ছিল ঊর্ধ্বমুখী। এ কারণে বেগুন খাওয়া বন্ধ রয়েছে। ঢেড়স আর পটোলের দামও বেড়ে গেছে। ছোট লাউও ৫০টা পিচ কিনতে হচ্ছে।’
এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার বলেন, অব্যহত বৃষ্টির ফলে খেতেই পচে নষ্ট হচ্ছে অনেক সবজি। এতে বাজারে কমেছে আমদানি। তারা সরবরাহ করতে না পারায় সবজি দাম বাড়ছে। তবে গত বছরের তুলনায় এখনো কিছু কিছু সবজির দাম সস্তা রয়েছে। বৃষ্টি বাড়তে থাকলে দামও আরো বাড়বে।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই বর্ষায় আষাড় মাসের প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হয়েছে। আষাঢ়ের শেষ দিনে সবচেয়ে বেশি ৯১ মিলিমিটারের অধিক বৃষ্টিপাত হয়েছে। শ্রাবণেও অব্যহত রয়েছে বৃষ্টির ধারা। গত সোমবার থেকে রোববার রাত পর্যন্ত রাজশাহীতে ৬০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে। রোববার রাতেই হয়েছে ২০ মিলিমিটার।
স্থানীয় লোকজন বলছেন, এভাবে বৃষ্টি হতে থাকলে খেতে কৃষকের সবজি নষ্ট হবে। এতে দাম বাড়বে। তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ মানুষজন। তবে তাদের অভিযোগ এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী বৃষ্টির অজুহাতেও অনেক সবজির দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন।
ক্রেতারা বলেন, মাছ, গরু, খাসির মাংস ও চালের দামও আগের মতো থাকলেও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা।