প্রকাশ: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:৪৮ পিএম

সাতক্ষীরা-৪ আসনের (শ্যামনগর) সাবেক এমপি গাজী নজরূল ইসলাম ওই এলাকার গরীব ও নিরীহ মানুষদের প্রাণনাশের হুমকি ও হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে জমি, মৎস্য ঘের দখল করেছে। তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তার নির্যাতন নিপীড়ন থেকে বাঁচাতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, জামায়াতের আমীরসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
গতকাল সোমবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) নীচতলার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই আবেদন জানান ভুক্তভোগীরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- গাজী মো. হযরত আলী, মো. আব্দুল হাকিম, জিএম নজরুল ইসলাম, জিএম মিজানুর রহমান, আনিসুর, মো. আবু বকর, মো. আতাহার আলী, হাবিব, নুরুল হক মোল্লা, জিয়া, নজরুল শেখসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীরা।
লিখিত বক্তব্যে তারা জানান, গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে তাদের জায়গা জমি মৎস্য ঘের দখল করে রেখেছে ও তাদের নামে মিথ্যা মামলা ও হামলার ভয়-ভীতি প্রদর্শন, প্রাণনাশের হুমকি দেয়া অব্যাহত রেখেছে।
তারা আরও জানান, এই সকল বিষয় নিয়ে আমরা উপজেলা জেলা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সম্মানিত আমীর বরাবর আবেদন জানালে সাতক্ষীরা জেলা আমীর ও উপজেলা আমীরের সমন্বয়ে তাদের দলীয় নিজস্ব সিনিয়র আইনজীবি এ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান সাহেবকে নিয়ে গাজী নজরুল ইসলাম এবং তার চাচা সোহবান, শহিদ মোল্লা, মনজুর হোসেনকে নিয়ে উভয় পক্ষের কাগজ ও দলিল পত্র পর্যালোচনা অন্তে আমাদের পক্ষে রায় দেন এবং গাজী নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম, সোহবান গাজী, শহিদ মোল্লা, মনজুর হোসেনসহ সকল আবেদনকারীদের ফসলি জায়গা-জমি ও মৎস্য ঘের জোরপূর্বক দখল না করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এই নির্দেশ দেয়ার পর সাবেক এমপি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তার নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি ও হামলার চেষ্টা করে। তিনি তার চাচা সোহবান, শহিদ মোল্লা, মনজুর হেসেন তার বাড়ির কাজের কর্মচারী রহিস উদ্দিনসহ সকলকে নির্দেশ দেন যে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হামলা ও খুন জখম করতে। পূর্বের বিচারের নির্দেশ অমান্য করে তাদের ফসল (কাঁচা-পাকা ধান্য) মৎস ঘেরের মাছ ধরে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক খুন জখম ও মিথ্যা মামলার ভয়-ভীতি অব্যাহত রেখেছে। এখানে উপস্থিত সকলেই সাধারন ও গরীব মানুষ। যাতে তাদের ফসলি জায়গা-জমি, মৎস্য ঘের ফেরত পায় ও মিথ্যা মামলার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন তার জন্য বর্তমান সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানান তারা।