প্রকাশ: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৯ পিএম

মানুষের জীবনে ভুল-ত্রুটি ও গুনাহ থাকতেই পারে। তবে ইসলামে আন্তরিক তওবা ও অনুতাপের মাধ্যমে আল্লাহর ক্ষমা লাভ এবং নতুনভাবে জীবন শুরু করার সুস্পষ্ট সুযোগ রয়েছে। তাই অতীতের ভুলের কারণে হতাশ না হয়ে আল্লাহর রহমতের প্রতি আশাবাদী থাকার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
সহীহ মুসলিমের হাদিসে এসেছে, ইসলাম গ্রহণের মাধ্যমে পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হিজরত বা হজ পালনও অতীতের গুনাহ ক্ষমার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, আল্লাহ তাআলার কাছে কোনো গুনাহই এত বড় নয়, যা তিনি ক্ষমা করতে পারেন না। আন্তরিক তওবার মাধ্যমে একজন মানুষ যেন নতুন একটি জীবন শুরু করার সুযোগ লাভ করে। কোরআন ও হাদিসে এমনও ইঙ্গিত রয়েছে যে, আল্লাহ চাইলে বান্দার অনুতাপ ও সৎকর্মের কারণে অতীতের গুনাহকে সওয়াবে পরিণত করতে পারেন।
ইসলামে তওবাকে দেরি না করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ গড়িমসি মানুষকে আল্লাহর দিকে ফিরে আসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করতে পারে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) নিজেও প্রতিদিন আল্লাহর কাছে বারবার তওবা ও ইস্তিগফার করতেন, যা মুসলমানদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
পবিত্র কোরআনের সূরা আজ-জুমারের ৫৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, “বলুন, হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেন। নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
ইসলামী শিক্ষায় তাই অতীতের পাপের কারণে নিরাশ না হয়ে আন্তরিক তওবা, সৎকর্ম এবং আল্লাহর রহমতের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জ/উ