
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল শুরুর আগে বড় দুশ্চিন্তায় রয়েছে শেষ আটে ওঠা একাধিক দল। কারণ, মোট ১৯ জন ফুটবলার এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা থেকে মাত্র একটি হলুদ কার্ড দূরে আছেন। কোয়ার্টার ফাইনালে আবারও হলুদ কার্ড দেখলে সম্ভাব্য সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না তারা।
সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচ। বৃহস্পতিবারের এই লড়াইয়ে মরক্কোর পাঁচজন এবং ফ্রান্সের তিনজন ফুটবলারকে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।
অন্যদিকে শুক্রবার স্পেন ও বেলজিয়ামের ম্যাচে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা খেলোয়াড়ের সংখ্যা তুলনামূলক কম। এই দুই দলের একজন করে খেলোয়াড় একটি হলুদ কার্ড দূরে রয়েছেন। এই ম্যাচের জয়ী দল সেমিফাইনালে খেলবে ফ্রান্স অথবা মরক্কোর বিপক্ষে।
ড্রয়ের অন্য প্রান্তে নরওয়ে-ইংল্যান্ড ম্যাচেও রয়েছে পাঁচজন ঝুঁকিতে থাকা ফুটবলার। এছাড়া সুইজারল্যান্ডের তিনজন এবং আর্জেন্টিনার একজন খেলোয়াড়ও একই অবস্থায় আছেন।
ফিফার নিয়ম কী?
ফিফার শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী, কোয়ার্টার ফাইনালে কোনো খেলোয়াড় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখলে তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেমিফাইনালের জন্য এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় পড়বেন।
তবে কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে সব হলুদ কার্ডের হিসাব রিসেট হয়ে যাবে। ফলে সেমিফাইনালে নতুন করে পাওয়া হলুদ কার্ডের কারণে কেউ ফাইনাল বা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে নিষিদ্ধ হবেন না।
কোয়ার্টার ফাইনালে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা খেলোয়াড়রা:
মরক্কো (৫): ইসা ডিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ানে হালহাল, বিলাল এল খান্নৌস, আজেদিন উনাহি।
ইংল্যান্ড (৪): জুড বেলিংহ্যাম, নিকো ও'রাইলি, ডেকলান রাইস, মার্ক গেহি।
সুইজারল্যান্ড (৩): গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া, মিরো মুইহেইম।
ফ্রান্স (৩): মানু কোনোয়ে, ব্র্যাডলি বারকোলা, মাইকেল অলিসে।
নরওয়ে (১): আন্তোনিও নুসা।
বেলজিয়াম (১): ব্র্যান্ডন মেখেলে।
স্পেন (১): ফেরান তোরেস।
আর্জেন্টিনা (১): গনসালো মন্তিয়েল।
জ/উ