প্রকাশ: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম

পঞ্চগড়ে শালবাহান তেল কুপ পুনরায় খননের দাবীতে 'সর্বস্তরের জনগণ ও সচেতন নাগরিক কমিটি'র ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করেছে। সোমবার (১১ মে) সকাল সাড়ে ১০ টায় পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ঢাকা-পঞ্চগড় মহাসড়কে 'সর্বস্তরের জনগণ ও সচেতন নাগরিক কমিটির ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসুচী পালিত হয়।
এসময় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)র পঞ্চগড় সভাপতি এড. আনোয়ারুল ইসলাম খায়ের, সুশাসনের জন্য নাগরিক -সুজনের তেঁতুলিয়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাসেত, প্রবীণ সাংবাদিক সোহরাব হোসেন, এ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মানিক প্রমুখ।
শালবাহান তেল খনির কুপটি পুনরায় খননের জন্য সরকারের জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সহ প্রধানমন্ত্রীর কাছে দৃষ্টি আকর্ষণপূর্বক দাবী জানান বক্তারা। দাবী মানা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারীও উচ্চারণ করা হয় কর্মসূচি থেকে। পরে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভীন এর মাধ্যমে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রনালয় বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন আয়োজকরা।
উল্লেখ্য, পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া উপজেলার জুগিগঞ্জ গ্রামে প্রায় আটত্রিশ বছর আগে আবিস্কৃত তেল খনিটি উদ্বোধনের সপ্তাহ খানেক পরেই বন্ধ করে দেয় সেই সময়ে ক্ষমতায় থাকা এরশাদ সরকার। জানা যায়, ১৯৮৬-৮৭ অর্থবছরে ভূতাত্ত্বিক জরিপে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে শালবাহান জুগিগজ এলাকায় মাটির ৯শ মিটার গভীরে তেলের সন্ধান পাওয়া যায়।
সেই সময় বিদেশী বিশেষজ্ঞরা তেল থাকার বিষয়টি মোটামুটি নিশ্চিত করে। তৎকালীন এরশাদ সরকার তেলখনি খনন কাজসহ এর উন্নয়নে ৩৫ কোটি টাকার বিশাল বরাদ্দ দিয়ে প্রকল্প প্রণয়ন করে এবং তা অনুমোদনও দেয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় সাবেক রাষ্ট্রপতি তেলখনির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনও করেন। পরীক্ষামূলক ভাবে কিছু তেল উৎপাদনের এক সপ্তাহ পর তেলখনির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় সরকার। এবং তেল নেই ঘোষণা দিয়ে পাততাড়ি গুটিয়ে রাতারাতি যন্ত্রপাতি সরিয়ে ফেলে কর্তৃপক্ষ। যার কোন সুস্পষ্ট ব্যাখাও পাওয়া যায়নি বলে অনেকেরই অভিমত।
জ/দি