প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩০ পিএম

দস্যুতা দমন ও জেলে, বাওয়ালী-মৌয়ালদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বঙ্গোপসাগর-সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের টহল অভিযান জোরদার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
সাব্বির আলম জানান, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা সক্রিয় ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে নিয়মিত যৌথ অভিযান এবং গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, গত দেড় বছরে ধারাবাহিক অভিযানে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত করিম-শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ ও আসাবুর বাহিনীর মোট ৬১ জন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এসব অভিযানে ৮০টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৯৯ রাউন্ড তাজা গোলা, ৩০৮ রাউন্ড ফাঁকা গোলা এবং ১ হাজার ৯৫০ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দস্যুদের কবল থেকে ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড জানায়, দস্যুদের কয়েকটি আস্তানা শনাক্ত করে তা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এছাড়া সুন্দরবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ও নির্ভরশীল মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বনাঞ্চলের ভেতরে ও আশপাশের নদী-খালগুলোতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জ/দি