প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০৯ পিএম

চট্টগ্রাম জেলার একমাত্র বিচ্ছিন্ন দ্বীপ সন্দ্বীপ বর্ষার করাল বর্বরতার হাত থেকে যাত্রী সাধারণের রক্ষা পেতে গুপ্তছড়া–বাঁশবাড়িয়া নৌরুটে চালু হওয়া যাত্রীবাহী জাহাজ এসটি নিঝুম দ্বীপ মাত্র ২ মাস ১৫ দিনের মাথায় প্রত্যাহার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পর্যাপ্ত যাত্রীসংখ্যা না থাকায় এ রুটে জাহাজ পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না।
গত ১০ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান–এর উদ্যোগে সন্দ্বীপ–চট্টগ্রাম রুটে জাহাজটি চালু করা হয়। উত্তাল সমুদ্রপথে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করাই ছিল এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
সন্দ্বীপবাসীকে সারা বছরই প্রতিকূল সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে চট্টগ্রামে যেতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে যাত্রীরা স্পিডবোটে চলাচল করলেও বর্ষা মৌসুমে বড় জাহাজে যাতায়াত তুলনামূলক নিরাপদ বলে মনে করেন স্থানীয়রা। সে বিবেচনায় এসটি নিঝুম দ্বীপ চালু হওয়াকে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখেছিলেন অনেকে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক গোপাল চন্দ্র মজুমদার বলেন, “সন্দ্বীপ–চট্টগ্রাম রুটে যে পরিমাণ যাত্রী হচ্ছে, তা দিয়ে সরকারের প্রচুর লোকসান গুনতে হচ্ছে। যাত্রীসংকটের কারণে এসটি নিঝুম দ্বীপ সন্দ্বীপ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, জাহাজটি এখন কুতুবদিয়া–মহেশখালী রুটে চলাচল করবে। সন্দ্বীপ রুটে আগের সীট্রাক এমভি মালঞ্চ পুনরায় দেওয়া হবে এবং ফেরি চলাচল অব্যাহত থাকবে।
গত ২০১৮ সালে এই কুমিরা ও গুপ্তছড়া নৌরুটে লাল দূর্ঘটনায় ১৮ জন মানুষের সলিল সমাধি হয় এখানে ছিল সরকারি চাকরি জীবি শিশু ও মহিলা সেদিন সন্দ্বীপ বাসির কান্নায় আকাশ বাতাশ ভারী হয়ে উঠে, যেখানে সন্দ্বীপ এর প্রবাসিরা মোট রাজস্বের ১২% কর দিয়ে থাকে সেখানে দ্বীপ বাসির প্রতি এত অবহেলা মেনে নিবে না সন্দ্বীপ বাসি
স্থানীয়দের দাবি, বর্ষা মৌসুমে নিরাপদ ও টেকসই নৌযান চালু রাখা না হলে দ্বীপবাসীর দুর্ভোগ আরও বেশি হবে।
জ/দি