প্রকাশ: শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫, ৫:৫১ পিএম

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে এরই মধ্যে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। তবে কোনো দলই নাম ধরে কিছু না বললেও সংবাদমাধ্যমের খবর মারফত জানা গেছে, একেক দলের সন্দেহের তীর একেকজনের দিকে।
এরই প্রেক্ষিতে উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিন রাজনৈতিক দলের বৈঠকে উপদেষ্টদের নিরপেক্ষতা সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছে। একটি দলের তালিকায় আমার নামও আছে। আত্মপক্ষ সমর্থনে শুধু এইটুকুই বলা যে, আমি পক্ষপাতদুষ্ট চিন্তা করতে ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অভ্যস্ত নই। সবসময় কোনোরূপ অনুরাগ বিরাগের বশবর্তী না হয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবুও প্রশ্ন যেহেতু উঠেছে এর নিষ্পত্তি করতে হবে।’
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি বঙ্গগ্রাফ নামের একটি ফেসবুক পেজের তিনটি ফটোকার্ড শেয়ার করে ক্যাপশনে এসব কথা লিখেছেন।
আজ শুক্রবার দুপুরে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান লেখেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিন রাজনৈতিক দলের বৈঠকে উপদেষ্টদের নিরপেক্ষতা সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছে। একটি দলের তালিকায় আমার নামও আছে। আত্মপক্ষ সমর্থনে শুধু এইটুকুই বলা যে, আমি পক্ষপাতদুষ্ট চিন্তা করতে ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অভ্যস্ত নই। সবসময় কোনোরূপ অনুরাগ বিরাগের বশবর্তী না হয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবুও প্রশ্ন যেহেতু উঠেছে এর নিষ্পত্তি করতে হবে।’
তিনি লেখেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী, চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত সকল কর্মকর্তাদের কেউই পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের (যে দলই সরকার গঠন করুক না কেন) কোনো লাভজনক পদে অংশ নিতে পারবেন না এই মর্মে একটি অধ্যাদেশ জারি করলে এ সমস্যার সুরাহা হতে পারে বলে আমি মনে করি। তবে শর্ত থাকে যে, নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার আগে যারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে পদত্যাগ করবেন তাদের ক্ষেত্রে উপরোক্ত বিধান প্রযোজ্য হবে না।’