প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১২:৪১ পিএম

দীর্ঘ ৯৮১ দিনের বিরতির পর ব্রাজিল জাতীয় দলে ফিরেই আবেগে ভেঙে পড়লেন নেইমার জুনিয়র। ম্যাচ শেষে পরিবারের সঙ্গে দেখা করে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন তিনি, যেখানে ছেলেকে জড়িয়ে ধরা এক আবেগঘন মুহূর্ত ঘিরে তৈরি হয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
ম্যাচ শুরুর আগ থেকেই ব্রাজিল দলের বেঞ্চ ঘিরে ছিল ব্যাপক উত্তেজনা ও ভিড়। দীর্ঘ সময় পর জাতীয় দলে ফেরা নেইমারকে ঘিরে ফটোগ্রাফারদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।
অবশেষে প্রতীক্ষিত মুহূর্ত আসে ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে। ম্যাথিউস কুনহার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার। বোর্ড ওঠার সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারি উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে, দীর্ঘদিন পর আবারও জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যায় তাকে।
তবে মাঠে নামলেও বড় কোনো প্রভাব রাখতে পারেননি তিনি। তখন ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ব্রাজিল এবং জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়।
ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরই গ্যালারির দিকে ছুটে যান নেইমার। নিজের আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলেন তিনি। এরপর সরাসরি পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন।
গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী ব্রুনা বিয়ানকার্দি। জানা গেছে, তিনি বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা এবং নেইমারের পঞ্চম সন্তানের প্রত্যাশায় আছেন। উপস্থিত ছিলেন নেইমারের বড় ছেলে ডেভি লুকাওও।
বাবার কাছে যেতে চাইলে শুরুতে নিরাপত্তারক্ষীদের বাধার মুখে পড়ে ডেভি লুকাও। পরে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে যেতে দেওয়া হয়। এরপর বাবা-ছেলের আলিঙ্গনে তৈরি হয় আবেগঘন এক মুহূর্ত।
ম্যাচ শেষে নেইমার বলেন, “খেলার পর আমি আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম। পরে পরিবারের সঙ্গে দেখা করি। সবাই কাঁদছিল, হাসছিল-একটি মিশ্র অনুভূতি ছিল।”
তিনি আরও বলেন, “এটা সত্যিকারের কৃতজ্ঞতার মুহূর্ত। আমার লক্ষ্য ছিল জাতীয় দলে ফেরা এবং এই জার্সি পরা। আমি এখানে থাকতে ভালোবাসি।”
সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নেইমার বলেন, “ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাই, তাদের ভালোবাসা এবং সমর্থনের জন্য। এখানে ফিরে আসা সহজ ছিল না, কিন্তু আমরা পেরেছি।”
জ/উ