দাগনভূঞায় প্রবাসী স্বামীর ভূয়া মৃত সনদ দেখিয়ে তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীর কোটি টাকার জমি দখল কান্ড
দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৪:০১ পিএম

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের ভাষা শহীদ আবদুস সালাম গ্রামের ইটালী প্রবাসী আবদুল মতিন। এই প্রবাসীকে তার তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী কামরুন নাহার মৃত দেখিয়ে কয়েক কোটি টাকা মুল্যের ১৮ শতক জমি ফেনীর প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় দখল করে রেখেছে। 

আবদুল মতিন আজ এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন ফেনীর স্টার লাইন গ্রুপের মালিকদের ছত্রছায়ায় ফেনীর মহিপালে ১৮ শতক জায়গা তার তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী কামরুন নাহার দখল করে রেখেছে। তাও স্বামী পরিচয়ে আবদুল মতিনকে সকল প্রশাসনিক দপ্তরে মৃত দেখিয়ে এই দখলের কান্ডটি করে কামরুন নাহার।

এখন আবদুল মতিন তাহার জমি ফিরে পেতে তিনি এখনো জীবিত দেখিয়ে ফেনী জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দেন। মামলার করেন আবদুল মতিন। তিনি আরো জানান, ১৯৯৬ সালে কামরুন নাহারের সাথে তার বিয়ে হয়। এবং তাকে ইটালী নিয়েও বসবাস করেন। পরে নানা রকম চারিত্রিক সমস্যার কারনে গত ২৩ জানুয়ারি ২০০৮ সালে কামরুন নাহার কে তালাক দিয়ে দেয় মতিন।

আরও পড়ুন : রাজাপুরে সাংবাদিক লিপুর ওপর হামলাকারিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

আবদুল মতিন প্রবাসে থাকা অবস্থায় ২০২৩ সালে ভূয়া ওয়ারিশ সনদ, মৃত্যু সনদ তৈরী করে মতিনের স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি তার নামে জমা খারিজ করে গত ২৬ জানুয়ারি ২০২৫ সালে ফেনীর মনির চৌধুরী নামক এক ব্যক্তিকে আমোক্তা নামার ক্ষমতা দিয়ে স্টার লাইন গ্রুপের কাছে ভাড়া চুত্তি করে কামরুন নাহার। সেই থেকে জমিটি তাদের দখলে রয়েছে।

গত ৩০ জানুয়ারি ২০২৫ইং তারিখে মতিন দেশে এসে এসিল্যান্ড অফিসে অভিযোগ দেন। এসিল্যান্ডের তদন্তেও ওয়ারিশ সনদ এবং মৃত্যু সনদ ভূয়া প্রমানিত হয়।  বর্তমানে আবদুল মতিন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলেও জানান।

জ/দি

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: info@jobabdihi.com , contact@jobabdihi.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft