প্রকাশ: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় বড়াল নদীতে অবৈধভাবে মাটি খনন করে তা সড়ক নির্মাণ কাজে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অবৈধ মাটি খনন বন্ধে থানা ও ইউএনও অফিস ঘেরাও কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের এক নেতা ।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার জামনগর ইউনিয়নের জালালপুর এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোদাল দিয়ে নদীর তলদেশ থেকে মাটি কেটে পাওয়ার টলির মাধ্যমে তা বাইরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই মাটি তামালতলা থেকে জামনগর পকেট খালি মোড় পর্যন্ত এলজিইডি'র নির্মাণাধীন সড়কের ঠিকাদারের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে জামনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. রায়হান রেজা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বড়াল নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। বিষয়টি একাধিকবার থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “ওসি ও ইউএনওকে বারবার জানানো সত্ত্বেও যদি অবৈধ মাটি খনন বন্ধ না হয়, তাহলে আমরা থানা ও উপজেলা প্রশাসন কার্যালয় ঘেরাও করতে বাধ্য হব।”
এদিকে, স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাটোর জেলা ছাত্রদলের সদস্য মো. শিমুল আহমেদ দিনমজুর নিয়োগ করে কোদাল দিয়ে নদীর মাটি কাটিয়ে তা পাওয়ার টলির মাধ্যমে পরিবহন করে বিক্রি করছেন। তবে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং বিষয়টি এড়িয়ে যান।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, এভাবে নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন চলতে থাকলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হতে পারে, যা পরিবেশ ও কৃষির ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এবিষয়ে বাগাতিপাড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো:আব্দুল হান্নান বলেন,বড়াল নদী হতে মাটিকাটা বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন সংবাদ পাইনি তবে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন,তিনি খবর পেয়ে তহশীলদারকে পাঠিয়েছিলেন কাউকে পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
জ/দি