প্রকাশ: রোববার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:২৭ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরকারি কর্মচারীরা ৫ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, স্থির আয় এবং দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্যের কারণে নিচের গ্রেডের কর্মচারীরা মারাত্মক সংকটে পড়েছেন। নতুন পে–স্কেলের প্রজ্ঞাপন ডিসেম্বরের মধ্যেই জারি করে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর করার দাবি জানানো হয়।
গতকাল শনিবার সকালে জেলা সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে সমাবেশে পরিণত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি মো. মনির হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী হাফিজুল ইসলাম নাছুর। স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক আরশাদুল ইসলাম।
বক্তারা টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড, অভিন্ন নিয়োগবিধি, শূন্যপদে সরাসরি নিয়োগ, ন্যায্যমূল্যের রেশন, শতভাগ পেনশন, আউটসোর্সিং বন্ধ এবং ব্লকপোস্টে পদোন্নতির মতো বিষয়গুলোকে “চাকরিজীবী নিরাপত্তার ন্যূনতম কাঠামো” বলে উল্লেখ করেন। শ্রমিকদের মতো সরকারি কর্মচারীদেরও সংগঠন করার অধিকার নিশ্চিত করতে আইএলও সনদ ৮৭ ও ৯৮ বাস্তবায়নের দাবি তুলেন তারা।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- কালেক্টরেট নন–গেজেট কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি কামরুল ইসলাম ভূইয়া, সহ–সভাপতি ইকবাল হোসেন সফিক, আবু কাউছার, কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মো. আশরাফ আহমেদ, সমাজসেবা কর্মচারী সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট সমিতির সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ কর্মচারী সভাপতি আমির হামজা, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সভাপতি মো. মনির, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সিনিয়র সহসভাপতি হাজী মো. আব্দুল্লাহ, ২৫০ শয্যা হাসপাতাল কর্মচারী সভাপতি আব্দুল মোমেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড সভাপতি মো. ইসমাইল এবং ১৭–২০ গ্রেডের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম।
সমাবেশ শেষে কর্মচারীরা ঘোষণা দেন জীবনযাপন, ন্যায্য বেতন কাঠামো এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির প্রশ্নে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।