সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
 

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর হামলায় নিন্দা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী    বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পরামর্শ ইইউর    কোটা নিয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ    দেশে এত কাজ করার পরেও কেউ অন্ধ-বধির হলে কিছু বলার নেই: প্রধানমন্ত্রী    ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ চান আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা    স্মারকলিপি দিতে ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে    কোটাবিরোধী আন্দোলন রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার ইচ্ছা নেই: কাদের   
নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ১১
অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: রোববার, ৭ জুলাই, ২০২৪, ৩:২৪ অপরাহ্ন

নেপালে ভারী বৃষ্টিতে কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে গত ৩৬ ঘণ্টায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। বন্ধ হয়ে গেছে প্রধান প্রধান সড়ক। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

আজ রোববার (৭ জুলাই) নেপালি কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন।

কাঠমাণ্ডু পুলিশের মুখপাত্র দান বাহাদুর কারকি জানিয়েছেন, এখনো আটজন নিখোঁজ আছেন। হয় বন্যায় তারা ভেসে গেছেন বা ভূমিধসে চাপা পড়েছেন। ১২ জন আহত হয়েছেন তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কারকি বলেন, উদ্ধারকর্মীরা রাস্তা থেকে মাটি সরিয়ে যান চলাচলের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছেন। ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সড়ক পরিষ্কার করা হচ্ছে।

সুনসারি জেলার সিনিয়র কর্মকর্তা বেদ রাজ ফুয়াল জানিয়েছেন, নেপালের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কোশি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। আমরা বাসিন্দাদের সম্ভাব্য বন্যা সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলেছি। নদীটি প্রায় প্রতি বছরই পূর্ব ভারতের বিহার রাজ্যে ভয়াভয় বন্যা ঘটায়।

তিনি বলেন, সকাল ৯টায় কোশি নদীর পানির প্রবাহ ছিল প্রতি সেকেন্ডে ৩ লাখ ৬৯ হাজার কিউসেক, যা তার স্বাভাবিক প্রবাহ ১ লাখ ৫০ হাজার কিউসেকের চেয়ে অনেক বেশি। পানির প্রবাহের পরিমাপ হল কিউসেক। প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহিত হওয়া এক কিউসেক পরিমাণ পানি এক ঘনফুটের সমান। পানি নিষ্কাশনের জন্য কোশি ব্যারেজের ৫৬টি গেটই খুলে দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ব্রারেজটির মাত্র ১০ থেকে ১২টি গেট খুলে দেওয়া হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পশ্চিমে নারায়ণী, রাপ্তি ও মহাকালী নদীর প্রবাহও বাড়ছে। পাহাড় ঘেরা কাঠমান্ডুতে, বেশ কয়েকটি নদী তাদের তীর উপচে পড়েছে, রাস্তা প্লাবিত হয়েছে এবং অনেক বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয় মিডিয়ার খবরে লোকজনদের কোমর পানিতে হেঁটে যেতে দেখা গেছে। বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য বালতি ব্যবহার করছেন।

জুনের মাঝামাঝি সময় থেকে নেপালে ভূমিধস, বন্যা এবং বজ্রপাতে অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে বেশিরভাগ পার্বত্য নেপালে ভূমিধস এবং আকস্মিক বন্যায় প্রতি বছর শত শত লোক মারা যায় যা সাধারণত জুনের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয় এবং সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলতে থাকে।

এদিকে,ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে, গত কয়েক দিনে বন্যায় কয়েক ডজন মানুষ মারা গেছে এবং হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172. বাণিজ্যিক বিভাগ : +8801868-173008, E-mail: dailyjobabdihi@gmail.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft