প্রকাশ: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৯ পিএম

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে শিক্ষার্থীদের জন্য ৫টি উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আজ বুধবার (১৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
ফেসবুক পোস্টে মাহদী আমিন লিখেছেন, আজ চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া সারাদেশের ২ হাজার ৫৮৩টি পরীক্ষা কেন্দ্রে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্বতঃস্ফূর্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য উন্নতির পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও যথেষ্ট উদ্দীপনা ও উৎসাহ নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। সম্প্রতি বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষা গ্রহণে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে সরকার সময়োপযোগী ও শিক্ষার্থীবান্ধব কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
১। সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, আবহাওয়া অধিদফতরের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া সারাদেশে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা চালু রাখা হয়েছে।
২। কোথাও যাতায়াত বা জলাবদ্ধতার কারণে সমস্যা হলে, প্রয়োজনে কেন্দ্র পরিবর্তন, পরীক্ষা স্থগিত কিংবা পরীক্ষার সময় বৃদ্ধি-সহ প্রয়োজনীয় যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
৩। প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা অন্য কোনো অনিবার্য কারণে যারা চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার কোনো বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেনি, তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ইতোমধ্যে স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত একই তারিখ ও সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।
৪। পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের দুটি ভুল প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর (ফুল মার্কস) দেওয়া হবে।
৫। পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
পোস্টের শেষে মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে এইচএসসি শুধু একটি পরীক্ষা নয়; এটি আগামীর বাংলাদেশ গড়ার কারিগরদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। এ কারণে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরীক্ষা পরিচালনায় সচেষ্ট রয়েছে। সেই পথচলায় শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এবং শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম অগ্রাধিকার।
জ/উ