যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালো বিশ্ব
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০২ পিএম আপডেট: ০৮.০৪.২০২৬ ২:৩৪ পিএম

কয়েক সপ্তাহের চরম উত্তেজনার পর অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়েছে। এই চুক্তিতে বিশ্বজুড়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস বইছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, চুক্তির আওতায় ইরান বিশ্ব তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিচ্ছে। এই যুদ্ধবিরতির ভিত্তিতে স্থায়ী শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে আগামী শুক্রবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে চূড়ান্ত আলোচনা শুরু হবে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া বার্তায় ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, এই যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না।

ইরাকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, স্থায়ী সমাধানের জন্য উভয় পক্ষকেই চুক্তিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হবে। মিসর এই যুদ্ধবিরতিকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ’ হিসেবে বর্ণনা করে সংলাপ ও আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের স্বাধীনতাকে সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়েছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস তার মুখপাত্রের মাধ্যমে সব পক্ষকে যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে চলার অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেন, ‘বেসামরিক জীবন বাঁচাতে ও মানবিক দুর্ভোগ কমাতে এখনই শত্রুতা বন্ধ করা জরুরি।’ মধ্যস্থতায় ভূমিকার জন্য তিনি পাকিস্তানসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানান।

জাপান এই পদক্ষেপকে ‘ইতিবাচক’ হিসেবে অভিহিত করে চূড়ান্ত চুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। জাপানের প্রধান কেবিনেট সচিব মিনোরু কিহারা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত কমিয়ে আনা টোকিও’র শীর্ষ অগ্রাধিকার।

ইন্দোনেশিয়া এই চুক্তিকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিহত তিন ইন্দোনেশীয় শান্তিরক্ষীর মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত দাবি করেছে।

মালয়েশিয়া যুদ্ধবিরতিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ হিসেবে উল্লেখ করে সতর্ক করেছে যে, কোনও উসকানিমূলক পদক্ষেপ যেন বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা নষ্ট না করে।

নিউ জিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটারস একে উৎসাহজনক বললেও স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে সামনের দিনগুলোতে অনেক কঠিন কাজ বাকি আছে বলে মন্তব্য করেন।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ এবং তেল-গ্যাস স্থাপনায় হামলার কারণে অভূতপূর্ব জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তারা স্পষ্ট করে বলেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মানবিক মূল্য আরও বেশি হবে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: info@jobabdihi.com , contact@jobabdihi.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft