প্রকাশ: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৩০ পিএম

নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে ভাই-বোনের নির্বাচনী লড়াই শেষ হচ্ছে না। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়ের পর আবেদন করায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইয়াসির আরশাদের নাম চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় নির্ধারিত ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোহাম্মদ ইয়াসির আরশাদ সশরীরে উপস্থিত হয়ে অথবা স্বাক্ষরিত আবেদনের মাধ্যমে তাঁর মনোনীত ব্যক্তিকে পাঠিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। ফলে বিকেল পাঁচটার পরপরই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা তৈরি করে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়।
তবে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মোহাম্মদ ইয়াসির আরশাদ সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার হোয়াটসঅ্যাপে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন পাঠান। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জুলহাস হোসেন বলেন, তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আবেদনটি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠালেও বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময় পার হওয়ায় তা গ্রহণযোগ্য হয়নি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা আসমা শাহীন জবাবদিহি পত্রিকার সংবাদদাতা কে বলেন, ‘মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য প্রার্থীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সশরীরে বা স্বাক্ষরিত আবেদন জমা দিতে হয়। হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো দরখাস্ত বিধিসম্মত নয়।’
উল্লেখ্য, নাটোর-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ফারজানা শারমিন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইয়াসির আরশাদ সহোদর ভাই-বোন। তাঁরা দুজনই বিএনপির প্রয়াত কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুর রহমান (পটল)-এর সন্তান। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে জানতে মোহাম্মদ ইয়াসির আরশাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এর আগে, বোন বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার প্রতিবাদে ভাইয়ের সমর্থকেরা বিক্ষোভ করেন বলেও জানা গেছে।
জ/দি