প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:২০ পিএম

সূর্যোদয় সূর্যঅস্তের লীলাভূমি সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা। সাপ্তাহিক ছুটিতে পর্যটকদের আনাগোনা বেড়ে গেছে। হালকা হিমেল বাতাস, সমুদ্রের ছোট ছোট ঢেউ তীরে এসে আছড়ে পড়ছে। এমন দৃশ্য উপভোগ করছে আগত পর্যটকরা। আবার কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ছাতার নিচে বসে প্রকৃতি দেখছেন। এ ছাড়া কেউ ঘোড়ার পিঠে চড়ে পুরো সৈকতের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান, ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ সৈকতের তিন নদীর মোহনা, লেম্বুর বন, শুটকি পল্লী, ঝাউবাগান, গঙ্গামতি, চর গঙ্গামতি ও লাল কাঁকড়ার চড়ে এখন পর্যটকদের সরব উপস্থিতি। পর্যটন মৌসুমের প্রথমদিকে পর্যটকদের আগমনে ব্যবসায়ীদের বেচাবিক্রিও বেড়ে গেছে। কুয়াকাটার শুটকি পল্লী, গঙ্গামতির সৈকত, রাখাইন পল্লী, ইকোপার্ক, ইলিশ পার্ক, লেম্বুর বন ও সৈকতের ঝাউবাগানসহ অধিকাংশ পর্যটন স্পটে এখন পর্যটকদের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো।
এদিকে নিরাপত্তায় তৎপর রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা।
পর্যটক আরিফ হাসান বলেন, ‘সাপ্তাহিক ছুটি পেয়ে বন্ধুদের সাথে নিয়ে কুয়াকাটা এসে পর্যটন স্পটগুলো ঘুরে দেখলাম। খুব ভালোই লেগেছে।’
অপর এক পর্যটক মাসুদ জানান, শুনেছি সমুদ্রের মাঝখানে জেগে ওঠা দ্বীপটিতে অসংখ্য অতিথি পাখি ও লাল কাঁকড়া অবাদ বিচরণ রয়েছে। আশা করি ওই দ্বীপটিতে আগামীকাল ঘুরতে যাব।
কুয়াকাটা সৈকতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রাসেল খলিফা জানান,পর্যটক থাকলে আমাদের বেচাকেনা ও ভালো থাকে। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটিতে সৈকতে অনেক পর্যটকদের আগমন ঘটেছে।
কুয়াকাটা গ্রীন ট্যুরিজমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন রাজু বলেন, পর্যটন মৌসুমের প্রথমদিকেই আশা অনুরূপ পর্যটক আসতে শুরু করেছে। আমরাও নানাভাবে পর্যটকদের সেবা প্রদান করছি।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান জানান, আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ মাঠে কাজ করছে। এছাড়া পর্যটকরা যাতে কোন সমস্যা না পরে সেজন্য মহিপুর থানা পুলিশ ও কুয়াকাটা নৌ পুলিশ পর্যটন স্পটগুলোতে টহল দিচ্ছে।
জ/দি