টানা বর্ষণে নির্মানাধীন নবীনগর টু আশুগঞ্জ সড়কে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; পরিদর্শনে আব্দুল মান্নান এমপি
প্রকাশ: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৪:৫৪ পিএম

টানা বর্ষণে নির্মানাধীন নবীনগর টু আশুগঞ্জ সড়কে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও সড়কটির ভূমি অধিগ্রহণ সহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের নিরসনকল্পে পরিদর্শনে করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট আব্দুল মান্নান। শনিবার (২ মে) সকাল ১০ টায় তিনি সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে সড়কটি পরিদর্শন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য মাসুদুল ইসলাম মাসুদ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ হোসেন রাজু ও দেলোয়ার হোসেন সোহেল, জেলা কৃষক দলের যুগ্ন আহবায়ক আমিরুল ইসলাম আমির, পৌর বিএনপির সহ সভাপতি মোঃ ইলিয়াস আলী, বীরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সেলিম খান, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ মিয়া, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিপ্লব, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল উদয় সহ আরো অনেকে।
স্থানীয়রা জানান, সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে জেলার দুই উপজেলার মধ্যে সড়কটি সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা ছাড়াও ঢাকার সঙ্গে নবীনগরের যোগাযোগকে সহজ করবে। ৫০-৬০ কিলোমিটার পথ ঘুরে কুমিল্লা হয়ে আর ঢাকা যেতে হবে না তাদের। তবে সড়কটি নির্মাণে দীর্ঘসূত্রতায় ও সম্প্রতি টানা বর্ষণে রাস্তাটির কয়েকটি অংশে মাটি সড়ে যাওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।
পরিদর্শনকালে এডভোকেট আব্দুল মান্নান বলেন, নবীনগর টু আশুগঞ্জ সড়কটি কয়েক লক্ষ মানুষের একটি কাঙ্খিত রাস্তা। সম্প্রতি টারা বর্ষণের ফলে রাস্তাটির কয়েকটি অংশ থেকে মাটি সড়ে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে গেছে, আমি ইতিমধ্যে দ্রুত রাস্তাটি মেরামতে করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছি। তিনি আরো বলেন, সড়কটি নির্মাণের ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে স্থানীয়দের সাথে যে সমস্যাটি রয়েছে তা দ্রুতই নিরসন করা হবে এবং ২০২৮ সালে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সড়কটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে উদ্বোধন করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় নবীনগর টু আশুগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন হয়। ১৯ দশমিক ৯৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ১০ দশমিক ৩ ফুট প্রস্থের সড়কের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের ১ জুলাই। ২০২১ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনুমোদিত প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ না থাকা, ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতা, প্রকল্প প্রণয়ন কমিটির বিশেষজ্ঞদের ভূমি অধিগ্রহণের পরিমাণে ভুল, ঠিকাদারের সময়মতো কাজ শুরু করতে না পারা ও প্রকল্প সংশোধনের কারণে কাজ শুরু করা যায়নি। ফলে কয়েক দফায় ব্যয় ও সময় বৃদ্ধি করে ২০২৮ সালের জুনে সড়কটি সম্পূর্ণ নির্মাণ শেষ করে উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।
জ/দি