প্রকাশ: রোববার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:১০ পিএম

নোয়াখালী-৩ বেগমগঞ্জ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজিব উদ দৌলা চৌধূরীর আপীলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। রাজধানীর আগারগাও এ নির্বাচন কমিশনে দীর্ঘ শুনানী শেষে রাজিব উদ দৌলা চৌধূরীর আপীল মঞ্জুর করে তাকে নির্বাচনের জন্য যোগ্য ঘোষণা করে ইসি। প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার খবরে বেগমগঞ্জে উপজেলায় রাজিব উদ দৌলা চৌধূরীর সমর্থকরা আনন্দ উল্লাস করতে দেখা গেছে।
নোয়াখালী-৩ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাবেক মন্ত্রী হেভী ওয়েট প্রার্থি বরকত উল্লাহ বুলু ও জামায়াতে ইসলামীর শক্তিশালী প্রার্থী রয়েছে। কিন্তু এ উপজেলায় জামায়াতের হাতে গোনা ভোট রয়েছে। যা কোন ভাবেই জামায়াতের জয়ের জন্য যথেষ্ট নয়।
অন্যদিকে বিএনপির ভোটের বিপরীতে এ বছর নীরব ভোটের সংখ্যা বেশি। এই নীরব ভোটার এবং নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের বড় ভোট ব্যাংক রয়েছে। জাতীয় পার্টিরও কিছু ভোটার আছে। প্রতিবেদকের মতে, এ বছর এ আসনে এই যে নীরব ভোটার তারাই মূলত গেম চেঞ্জারের ভ‚মিকা পালন করবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থি হিসেবে রাজিব উদ দৌলার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণায় নির্বাচনী মাঠের হিসেব বদলে যেতে পারে। এই আসনের নীবন ভোটারদের বড় অংশই এখন স্বতন্ত্র প্রার্থির দিকে ঝুঁকছে বলে জানা যায়। নীবন ভোটাররা কাকে ভোট দিবেন এমন শঙ্কার মধ্যেই আস্থার ঠিকানা হয়ে উঠছে স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজিব উদ দৌলা চৌধূরী। স্থানীয় সূত্র বলছে, ব্যাক্তি রাজিব উদ দৌলা চৌধূরীর পারিবারিক পজেটিভ ইমেজ এবং এলাকায় সামাজিক কর্মকাণ্ডে তিনি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ বছর তরুণ ভোটারদের বড় একটা অংশ স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে ভ‚মিকা রাখবে। তরুণ সেই ভোটারদের বড় অংশই স্বতন্ত্র প্রার্থির পক্ষে কাজ করবে।
স্বতন্ত্র প্রর্থি হিসেবে রাজিব উদ দৌলা চৌধুরী প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে দৈনিক জবাবদিহিকে বলেন, আমি মহান আল্লাহর দরবারে হাজারো শুকরিয়া আদায় করছি। সেই সাথে আমার এলাকার সকল মানুষকে আন্তরিক অভিবাদন জানাচ্ছি। তাদের দোয়া ও ভালবাসা আমাকে এতদূর এনেছে। আমি কোন দলীয় প্রার্থি নই। এলাকার সন্তান হিসেবে আমি সব সময় চেষ্টা করেছি সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে যথাযোগ্য সম্মান দিতে। তারাই আমার আশা ভরসার প্রতীক। এখন আমি তাদের কাছে যাব। এলাকার মাটি মানুষের প্রতি আমার কমিটমেন্টের কথা বলব। যদি এমপি হতে পারি, মানুষের জন্য কাজ করব। আমি আমার জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।