প্রকাশ: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৭ এএম

গত অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি কমলেও নভেম্বরে তা আবারও বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। অক্টোবরে তা ছিল ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ। গতকাল রবিবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) নভেম্বর মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র প্রকাশ করেছে।
বিবিএসের হিসাব অনুসারে, গত নভেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয় ৯ দশমিক ০৮ শতাংশ। টানা দুই মাস ধরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।
মূল্যস্ফীতি এক ধরনের করের মতো। আপনার প্রতি মাসে আয়ের পুরোটাই সংসার চালাতে খরচ হয়ে যায়। কিন্তু হঠাৎ জিনিসপত্রের দাম বাড়লে এবং সে অনুযায়ী আয় না বাড়লে একজন ব্যক্তিকে ধারদেনা করে সংসার চালাতে হবে কিংবা খাবার, কাপড়-চোপড় ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতে কাটছাঁট করতে হবে। মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধি বা আয় বৃদ্ধি কম হলে সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়ে। প্রকৃত আয় কমে যায়।
বিবিএস বলছে, গত নভেম্বর মাসে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এর মানে হলো, মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম। মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানে
জিনিসপত্রের দাম কমে যাওয়া নয়। অন্যান্য মাসের তুলনায় ওই নির্দিষ্ট মাসে দাম বৃদ্ধি হয়তো কিছুটা কম হয়েছে এটাই বোঝায়। উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে বাজার থেকে পণ্য ও সেবা কিনতে যদি একজন ব্যক্তির খরচ হয় ১০০ টাকা। এ বছরের নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ হওয়ার মানে হলো, ২০২৫ সালের নভেম্বরে অর্থাৎ এক বছর পর একই পণ্য ও সেবা কিনতে ওই ব্যক্তিকে ১০৮ টাকা ২৯ পয়সা খরচ করতে হয়েছে। প্রতি ১০০ টাকায় আপনার খরচ বেড়েছে ৮ টাকা ২৯ পয়সা।
জদি/উ