প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৩:৫৮ পিএম

জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুল মালিক মারা গেছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) শাহাজাদী সুলতানা ডলি বলেন, জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) ডা. আব্দুল মালিক স্যার আর নেই। বার্ধক্যজনিত কারণে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।
আব্দুল মালিক ২০০৪ সালে স্বাধীনতা পদক পেয়েছিলেন। ২০০৬ সালে সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে মনোনীত করে। তিনি ১৯২৯ সালের ১ ডিসেম্বর সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কুচাই ইউনিয়নের পশ্চিমভাগ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৯ সালে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন।
আবদুল মালিকের স্ত্রী আশরাফুন্নেসা খাতুন। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। মেয়ে ডা. ফজিলাতুন্নেছা মালিক ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের কার্ডিলজি বিভাগের অধ্যাপক। ছেলে মাসুদ মালিক একজন ব্যবসায়ী। অপর ছেলে মনজুর মালিক কানাডায় থাকেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অধ্যাপক মালিকের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বাদ জোহর জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে। দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বাদ আসর শ্যামলীর এসওএস মসজিদে। তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বাদ মাগরিব মিরপুর-২–এর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে। সিলেটের পশ্চিম নোয়াগাঁওয়ে পারিবারিক কবরস্থানে আগামীকাল বুধবার তার দাফন সম্পন্ন হবে।
ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুল মালিকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এক শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অধ্যাপক মালিক হাজার হাজার হৃদ্রোগীর জীবন বাঁচাতে সাহায্য করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকার এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সব সময়ই আন্তরিক থেকেছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত এই হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞের অবদান দেশের চিকিৎসাক্ষেত্রে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।