প্রকাশ: বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০২৩, ৫:০৪ পিএম

নাটোরের গুরুদাসপুরে পূর্বে শক্রতার জেরে যুবলীগ কর্মী হেলাল সরদারকে (৩৩) প্রকাশ্য কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গুরুদাসপুর পৌরসভার মেয়রসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) রাতে নিহত হেলাল সরদারের মা হেনা বেগম বাদী হয়ে গুরুদাসপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহত হেলাল সরদার উপজেলার খামারনাচকৈড় এলাকার মৃত সাখাওয়াত হোসেন ছেলে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চাঁচকৈড় কাচারীপাড়া মহল্লার মোতালেব হোসেনের ছেলে তুহিন (২২), একই এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে আকাশ হোসেন (২৩) এবং চাঁচকৈড় বাজার পাড়া জিল্লুর জমাদারের ছেলে তোহা (২০)।
মঙ্গলবার (১৪) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকৈড় হাটের শ্রমিক অফিসের সামনে যুবলীগ কর্মী হেলাল সরদার ও তার ছোট ভাই ছাত্রলীগ নেতা ও শ্রমিক সদস্য শিশির সরদার চাঁচকৈড় ট্রাক ট্রাংলরি শ্রমিক অফিসে ট্রাকের চালান কাটতে যায়।
এসময় শিশিরেরর ওপর হামলা করে। ছোট ভাই শিশিরকে বাঁচাতে হেলাল সরদার এগিয়ে গেলে তাকে কুপিয়ে জখম করে।
স্থানীয়রা গুরুতর জখম অবস্থায় তাদের দুইভাইকে উদ্ধার করে গুরুদাসপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হেলাল সরদারকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশিরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
পরে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার বিকেল বিক্ষোভ মিছিল ও পথ সমাবেশ করেন-জনতা ও শ্রমিক সংগঠন।
এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র শাহনেওয়াজ আলী বলেন, আগামীতে আমি এমপি নির্বাচন করবো, যার জন্য আমাকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসাতে আমার প্রতিপক্ষরা এই মিথ্যা বানোয়াট মামলা দায়ের করেছে। আমি এই ঘটনার কিছুই জানি না।
গুরুদাসপুর থানার কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন বলেন, এ ঘটনায় নিহতের মা হেনা বেগম বাদী হয়েন ১৯ জনের নামে মামলা দায়ের করেন, মামলায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকী আটকের চেষ্টা চলছে।
জ/আ