প্রকাশ: বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০২৩, ৪:২৩ পিএম

মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করে মানহানী এবং চাঁদাবাজীর অভিযোগে মাসুদুল ইসলাম সুমন নামে এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গাজীপুর চীফ মেট্রোপলিটন আদালতে পৃথক ৩টি মামলা করেছেন টঙ্গীর ছাত্রলীগ নেতা আসাদ সিকদার।
মাসুদুল ইসলাম সুমন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মোহনা টিভির একজন প্রতিবেদক। মামলায় তার বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি সহ মোট ১৫ কোটি টাকার মানহানির অভিযোগ করা হয়েছে আদালতে দায়ের করা পৃথক ৩টি মামলায়।
মামলা গুলোর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪শে ফেব্রুয়ারি টঙ্গীর মরকুন বাসিন্দা ছাত্রলীগ নেতা আসাদ সিকদারকে জড়িয়ে “মাদক বিক্রির টাকায় কোটি টাকার সম্পদ” শিরোনামে মাসুদুল ইসলাম সুমনের করা একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হয় মোহনা টেলিভিশনে। প্রতিবেদনে ওই ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ত্রুটিপূর্ণ-ভুল এবং মিথ্যা তথ্য তুলে ধরার অভিযোগ আনা হয়।
প্রতিবেদনটি প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন ওই ছাত্রলীগ নেতা। পরে গত ৬ মার্চ বিজ্ঞ আদালতে ৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজীর একটি ও ৯ মার্চ ৫ কোটি টাকার মানহানীর একটি মামলা করেন তিনি।
এরপর গত ১২ ফেব্রুয়ারি “দুর্নীতি তুলে ধরায় মামলার শিকার মোহনা টিভির সাংবাদিক” শিরোনামে আরো একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন প্রতিবেদক মাসুদুল ইসলাম সুমন।
এরপর পুনরায় ১৪ মার্চ আরো একটি ১০ কোটি টাকার মানহানীর মামলা করেন ছাত্রলীগ নেতা। এই নিয়ে মোহনা টিভির প্রতিবেদক মাসুদুল ইসলাম সুমনের নামে গাজীপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রথক তিনটি মামলা করা হয়।
এ বিষয়ে সাংবাদিক মাসুদুল ইসলাম সুমন চাঁদাদাবীর বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তথ্যের প্রয়োজনে আসাদ সিকদারের সাথে আমার দু-বার মুঠোফোনে কথা হয়েছিলো। এখন পর্যন্ত তার সাথে দেখা হয়নি। আদালতের প্রতি আমি শ্রদ্ধা ও আস্থাশীল এবং ন্যায় বিচার প্রত্যাশী। তদন্তে আমি অপরাধী হলে আদালত যা ব্যবস্থা নেবেন আমি তা অবশ্যই মেনে নেবো।
এই ব্যাপারে ছাত্রলীগ নেতা আসাদ শিকদার জানান, আমাকে জড়িয়ে ওই প্রতিবেদক মোহনা টেলিভিশনে মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যমূলক প্রতিবেদন করেছেন।
প্রতিবেদনে আমাকে কিশোরগ্যাং এর প্রধান করা হয়েছে এবং মাদক ব্যবসায়ী আখ্যা দেয়া হয়েছে। এসব করে আমি নাকি কোটি কোটি টাকা, গাড়ি, বাড়ির মালিক।
এসব আদৌ সত্য নয়, এখানে আমার মান সম্মান ক্ষুন্ন করা হয়েছে। তিনি আমার কাছে চাঁদা দাবি করেছেন। তাই আমি ন্যায় বিচার পেতেই বিজ্ঞ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।
জ/আ