প্রকাশ: রোববার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩:৫২ পিএম

কিয়ার স্টারমার হয়তো আর বেশিদিন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থাকছেন না। ডেইলি মেইলের একটি রিপোর্ট বলছে, স্টারমার নিজেই তার ঘনিষ্ঠদের কাছে স্বীকার করেছেন তিনি পদ ছাড়তে প্রস্তুত। তবে শর্ত একটাই, সেটা হবে তার নিজের শর্তে, তার নিজের সময়ে।
মন্ত্রিসভার এক সদস্য জানিয়েছেন, স্টারমার বুঝতে পারছেন এই বিশৃঙ্খলা আর টেনে নিয়ে যাওয়া সম্ভব না। কিন্তু তিনি চান মাথা উঁচু করে বেরিয়ে যেতে তাড়াহুড়ো করে নয়।
একের পর এক ধাক্কা
সমস্যা আসলে অনেকদিন ধরেই জমছিল। স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বাজে ফলাফল, পিটার ম্যান্ডেলসনকে নিয়ে বিতর্ক, এপস্টাইন-সংযোগের প্রশ্ন এসব মিলিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে অসন্তোষ পুঞ্জীভূত হচ্ছিল।
তারপর এলো সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং সরাসরি পদত্যাগ করে ঘোষণা দিলেন ভবিষ্যতে লেবার নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় তিনি স্টারমারের বিরুদ্ধেই লড়বেন। শুধু তাই নয়, তিনি প্রকাশ্যে স্টারমারকে একটা ‘সময়সূচি ঠিক করে’ সরে যেতে বললেন।
মানুষ আর পাশে নেই
রাজনৈতিক সংকটের চেয়েও যেটা বেশি বলছে, সেটা হলো জনমত। ইউগোভের জরিপ বলছে, প্রায় ৬৯ শতাংশ ব্রিটিশ স্টারমারের উপর অসন্তুষ্ট। ইউগোভ আরও জানাচ্ছে, স্টারমার এখন যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে অজনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী।
অনেকে তাকে লিজ ট্রাসের সাথে তুলনা করছেন যিনি মাত্র ৪৯ দিন টিকেছিলেন। স্টারমার অবশ্য এখনো টিকে আছেন, কিন্তু প্রশ্ন হলো আর কতদিন?
জ/উ