প্রকাশ: রোববার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫১ এএম

চুল থাকতে চুলের গুরুত্ব অনেকেই বোঝেন না। ঘন ঘন কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট, রং ও নানা প্রসাধনী ব্যবহারের ফলে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই চুল পড়া বেড়ে যায়। তেল, শ্যাম্পু বা সিরামেও যখন চুল পড়া নিয়ন্ত্রণে আসে না, তখন অনেকেই শেষ ভরসা হিসেবে চুল প্রতিস্থাপনের (হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট) সিদ্ধান্ত নেন।
তবে অনেকেই জানেন না, হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট একটি অস্ত্রোপচারমূলক প্রক্রিয়া। ফলে এর পর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক নয়। প্রতিস্থাপনের আগে ও পরে এসব বিষয় জানা থাকলে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা সহজ হয়।
হেয়ার ট্রান্সপ্লান্টের পর মাথা, কপাল ও মুখের চারপাশে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে চোখ বা গালও ফুলে যেতে পারে। সাধারণত এক–দুই দিনের মধ্যে তা কমে যায়, তবে কিছু ক্ষেত্রে এক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে।
অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে অস্ত্রোপচার করা হলেও এর প্রভাব কমে গেলে ব্যথা শুরু হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে মৌমাছির হুল ফোটানোর মতো অনুভূতি হয়। তবে এই যন্ত্রণা ব্যক্তিভেদে কম-বেশি হতে পারে।
হেয়ার ট্রান্সপ্লান্টের দুই থেকে ছয় সপ্তাহ পর হঠাৎ করে চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। এমনকি প্রতিস্থাপিত চুলও ঝরে যেতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে একে ‘শক লস’ বলা হয়। চিকিৎসকদের মতে, এতে ভয়ের কিছু নেই। সাধারণত তিন মাস পর আবার নতুন চুল গজাতে শুরু করে।
যাদের স্ক্যাল্প সংবেদনশীল বা খুশকির সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চুল প্রতিস্থাপনের পর অস্বস্তি আরও বেড়ে যেতে পারে। ক্ষতস্থানে ঘাম বা ধুলা জমলে চুলকানি, টান ধরা বা সুড়সুড় অনুভূত হতে পারে, যা ক্ষত শুকানো পর্যন্ত থাকতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করানোর আগে ও পরে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা এবং ধৈর্য রাখা অত্যন্ত জরুরি।
জ/ই