প্রকাশ: শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২০ পিএম

নাজমুল হোসেন শান্তর শুরুটা ছিল ধীরগতির। প্রথম আট বলে করেন মাত্র দুই রান। তবে ষষ্ঠ ওভারে সাইম আইয়ুবকে টানা তিনটি চার মেরে নিজের ইনিংসে গতি আনেন তিনি। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। শেষ ওভারে হজরতউল্লাহ জাজাইয়ের ক্যাচ মিসে ডাবলস নিয়ে পূর্ণ করেন ঝোড়ো সেঞ্চুরি।
অন্য প্রান্তে মুশফিকুর রহিম ছিলেন চেনা ছন্দে। শান্ত ও মুশফিকের শতরানের জুটিতে দুই বল হাতে রেখেই ৮ উইকেটে সিলেট টাইটান্সকে হারিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
শান্ত ৬০ বলে ১০১ রান এবং মুশফিক ৩১ বলে ৫১ রানে অপরাজিত ছিলেন। ১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুজনে মিলে ৭১ বলে করেন ১৩০ রান। রাজশাহী ১৯ দশমিক ৪ ওভারে ২ উইকেটে তুলে নেয় ১৯২ রান।
এর আগে পারভেজ হোসেন ইমনের ঝড়ো ইনিংসে ৫ উইকেটে ১৯০ রান তোলে সিলেট টাইটান্স।
পাওয়ার প্লেতে সাইম আইয়ুব আউট হওয়ার আগে দারুণ শুরু করেন। পঞ্চম ওভারে ১৫ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ২৮ রান করে থামেন এই পাকিস্তানি ওপেনার। ৩৬ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর হজরতউল্লাহ জাজাই ২০ রান করে আউট হন।
ওপেনার রনি তালুকদার এই আফগান ব্যাটারের সঙ্গে ৩২ রানের জুটি গড়েন। পরে ক্রিজে নামেন পারভেজ হোসেন ইমন। রনির সঙ্গে তার জুটি বড় হয়নি। ওই জুটিতে আসে ২৫ বলে ৩৬ রান।
আফিফ হোসেনকে নিয়ে এরপর স্বরূপে ফেরেন ইমন। ইনিংসের এক বল বাকি থাকতে ৪১ বলে ৮৬ রানের জুটি ভাঙে। ইমন ২৮ বলে ৩টি চার ও ৪টি ছক্কায় করেন ফিফটি। আফিফ ১৯ বলে ৩৩ রান করে আউট হলেও ৩৩ বলের ইনিংসে ৪টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৬৫ রানে অপরাজিত ছিলেন।
রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে সন্দীপ লামিচানে ৪ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। এছাড়া বিনুরা ফার্নান্ডো ও তানজিম হাসান সাকিব একটি করে উইকেট শিকার করেন।