নির্বাচনে বড় চ্যালেঞ্জ গুজব, দলীয় চাপ ও অবৈধ অস্ত্র
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:৫৭ পিএম আপডেট: ০৫.১২.২০২৫ ৫:২৬ পিএম

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় চাপ, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও সাইবার স্পেসে গুজবকে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। 

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনূস। একই দিন বিকালে মাঠ পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আইজিপি বাহারুল আলম ৬টি নির্দেশনা দিয়েছেন। 

আরও পড়ুন: জনগণের সেবা নিশ্চিতেই পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

এছাড়া মাঠ পুলিশকে নির্বাচনী আচরণবিধি এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সামাজিক মাধ্যম গাইডলাইন অনুসরণ করতেও বলা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণাকে সামনে রেখে গতকাল ৬৪ জেলার নতুন পুলিশ সুপারসহ মাঠ পুলিশের কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেওয়া হয় সরকারপ্রধান এবং পুলিশের নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে। এসব নির্দেশনা নিয়ে এখন নিজ নিজ ইউনিটে ফিরে যাচ্ছেন মাঠ পুলিশের কর্মকর্তারা।

এদিকে জেলা পুলিশের এসপি ও ওসিদের বদলির পর মেট্রোপলিটন পুলিশেও নির্বাচনী রদবদল প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গতকাল লটারির মাধ্যমে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ৫০ থানার ওসি এবং উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) পর্যায়ের ১৩ জনকে রদবদল করা হয়।

গতকাল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ৬৪ জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, নির্বাচনের একটি নতুন মানদণ্ড তৈরি করতে হবে। সেই পরিবর্তন নিয়ে আসাটাই পুলিশ বাহিনীর বড় দায়িত্ব। আগামী নির্বাচনের দায়িত্বকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে পুলিশকে ভূমিকা রাখতে হবে। এ নির্বাচনকে একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত হিসেবে সারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে পুলিশকে কাজ করে যেতে হবে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিএনপি-জামায়াতসহ বড় রাজনৈতিক দলের চাপ মোকাবিলা আগামী নির্বাচনে পুলিশের প্রধান চ্যালেঞ্জ। লুট হওয়ার পর এখনও উদ্ধার না হওয়া সহস্রাধিক আগ্নেয়াস্ত্র আসন্ন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে বড় ধরনের প্রভাব তৈরি করতে পারে। নির্বাচনের আগেই গুলি করে প্রকাশ্যে কয়েকটি হত্যাকাণ্ড এ আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সাইবার স্পেসে গুজবসহ যে পরিমাণ হুমকি তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় পুলিশের দক্ষ জনবল অপ্রতুল। সেই সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মোকাবিলা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদন

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র বলছে, আগামী নির্বাচনে পুলিশকে নির্মোহ ও নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো দলের পক্ষে অবস্থান না নিয়ে পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনের আচরণবিধি, নির্বাচনের আগে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ, ভোটকেন্দ্র ও বুথের নিরাপত্তা এবং নির্বাচনী সহিংসতা দমনে পুলিশ সদস্যরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। 

আগামী নির্বাচনে সম্ভাব্য সহিংসতা মোকাবিলায় পুলিশের উদ্বেগের আরেকটি বড় কারণ হচ্ছে জুলাই আন্দোলনের সময় থানা ও ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র। পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে এখনও ১ হাজার ৩৫০টি অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। নির্বাচনী সহিংসতায় এসব অস্ত্র ব্যবহৃত হতে পারে। তাই নির্বাচনের আগে এগুলো উদ্ধারে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি হিসেবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচনের দায়িত্ব পালনকারী উচ্চপদের কর্মকর্তাদের এবার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে না। দেশের সব ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি নির্বাচনের আগে বেহাত হওয়া সব অস্ত্র উদ্ধার এবং সামাজিক মাধ্যমে বিদ্বেষমূলক অপপ্রচার প্রতিরোধে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। অপপ্রচার রোধে কাউন্টার ন্যারেটিভ প্রস্তুত করে প্রতিটি বিভাগ বা সংস্থার নিজস্ব মুখপাত্রের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা দেশবাসীকে জানানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ভুয়া খবর ছড়িয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা, পুরনো ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোসহ সাইবার

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, অতীতে দেখা গেছে কিছু জায়গায় নির্বাচনী সহিংসতা বাড়িয়েছে প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব। তাই এবার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও ইউএনওদের ওপর বিশেষভাবে নজরদারি দরকার, যেন তারা কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির পক্ষ না-নিতে পারেন।

এদিকে ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের পুলিশের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশকে মারধর ও থানা গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। গত ১১ নভেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ‘আওয়ামী লীগের কর্মী’ দুই ব্যক্তিকে ছাড়িয়ে নিতে এসে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) হুমকি দেন পীরগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সভাপতি নাজমুল হুদা। সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ওসির উদ্দেশে যুবদল নেতাকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনি মানুষ চিনেন নাই। আপনার এখানে রিজিক নাই, রিজিক উঠে গেছে।’ ওসিকে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় যুবদল নেতা নাজমুল হুদাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় কেন্দ্রীয় যুবদল। সম্প্রতি কক্সবাজারের মহেশখালী থানার ওসি মনজুরুল হককে ‘উলঙ্গ করে’ এলাকা থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার পর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আকতার হোসেনের দলীয় পদ স্থগিত করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধেও পুলিশের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ২০ নভেম্বর বিকালে চট্টগ্রামের মিরসরাই থানায় গিয়ে ওসিকে চট্টগ্রাম-১ আসনে (মিরসরাই) জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী সাইফুর রহমান বলেন, ‘আপনার পুলিশের সঙ্গে সহকারী হিসেবে যদি মনে করেন সহায়ক পুলিশ লাগবে, আমি শিগগিরই শিবির-জামায়াতের লোক দেব। যদি আপনারা মনে করেন যে, গোয়েন্দার লোক লাগবে, আপনি ইউনিয়ন ভিত্তিতে গোয়েন্দা টিম গঠন করেন, আমি স্পেশালি লোক সাপ্লাই দেব।’ সম্প্রতি যশোরের কেশবপুর থানায় ঢুকে মারমুখী আচরণ ও পুলিশকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন জামায়াতে ইসলামীর কেশবপুর উপজেলা পেশাজীবী পরিষদের সভাপতি ওজিউর রহমান। ঘটনার পর তাকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হচ্ছেন যে ১৪ জন

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর বড় ভূমিকা রয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসন যতই প্রস্তুতি নিক, রাজনৈতিক দলগুলো না চাইলে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, লুট হওয়া অস্ত্রের প্রায় ৩০ শতাংশ উদ্ধার হয়নি। নতুন করে অস্ত্র দেশে ঢুকছে। আসন্ন নির্বাচনে মব সহিংসতা একটা বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করবে। রাজনৈতিক দলগুলো জয়ী হওয়ার জন্য মরিয়া। ইতোমধ্যে কয়েকটি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়, তাহলে নির্বাচন কাক্সিক্ষত হবে না। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো মুখে মুখে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। কিন্তু এর প্রমাণ দেখছি না। দলের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হলে এসব দল মানুষের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

রাজারবাগ পুলিশ টেলিকম অডিটরিয়ামে ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার, রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ কমিশনারসহ মাঠ পুলিশের সঙ্গে গতকাল বিকালে মতবিনিময় করেন পুলিশের আইজি বাহারুল আলম। সেখানে তিনি মাঠ পুলিশকে ৬টি দিকনির্দেশনা দেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে হুশিয়ারি দিয়ে পুলিশপ্রধান বলেন, নির্বাচনকালে কোনো দল বা গোষ্ঠীর পক্ষ নেবেন না। নিরপেক্ষ ও দৃঢ় থাকবেন। আপনারা সক্ষম, আপনারা পারঙ্গম, আপনারা শিক্ষিত এবং আপনাদের সেই সামর্থ্য আছে। আপনাদের বিশুদ্ধ সততার প্রতি আমাদের সম্পূর্ণ সম্মান আছে। সে জন্যই আপনারা এ জায়গায় আছেন এবং আমার বিশ্বাস আপনারা পুলিশের সম্মান রাখবেন। তিনি বলেন, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে এখনও টাকা-পয়সা লেনদেনের অভিযোগ পাচ্ছি। অনুগ্রহ করে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩-এ ধারায় নিরপরাধ ব্যক্তিদের অব্যাহতি প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, ১৭৩-এ-তে রিলিফ দেওয়ার ক্ষেত্রেও অভিযোগ পাচ্ছি যে, টাকা-পয়সার লেনদেন হচ্ছে। অনুগ্রহ করে এটা নিয়ন্ত্রণ করুন।

বাহারুল আলম বলেন, প্রশাসনিক কারণে যাদের আমরা বদলি করি, তাদের দ্রুত ছেড়ে দেবেন। তারা যেন এক মাস দেড় মাস, দুই মাস না থাকেন। আর সোশ্যাল মিডিয়া গাইডলাইন সবাই যেন মেনে চলেন। আর পুলিশ অ্যাসল্ট কেসগুলো তাড়াতাড়ি শেষ করবেন। যেগুলোর চার্জশিট দিয়েছেন, সেগুলোর ট্রায়াল মনিটর করবেন। এটা যেন খুনের মামলার মতো ৮ বছর, ১০ বছর পড়ে না থাকে।

মাঠ পুলিশের সঙ্গে মতবিনিময়কালে কথা বলেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী, র‌্যাবের মহাপরিচালক শহিদুর রহমানসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা। অধিকাংশ কর্মকর্তার বক্তব্যে জাতীয় নির্বাচনকালে পুলিশকে নিরপেক্ষ থাকার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে উঠে আসে। মতবিনিময়কালে মাঠ পুলিশকে নির্বাচনী আচরণবিধিসহ নির্বাচন সংক্রান্ত আইন, বিধি বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপারদের নিজ নিজ ইউনিটে ফিরে জেলার থানা, ফাঁড়ি পরিদর্শন ও অধীনস্থদের সঙ্গে নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিষয়ে মতবিনিময় করতেও তাগিদ দেওয়া হয়। ভোট গ্রহণকালে কোনো পক্ষ অস্ত্রশস্ত্রসহ কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে বিধি মোতাবেক আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। তবে কোনো নিরীহ মানুষের ওপর যেন গুলি চালানো না হয়, এ বিষয়টিও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।

নির্বাচনকালে কোনো অস্বাভাবিক টাকা-পয়সা লেনদেনের বিষয়টি মাঠ পুলিশকে নজরে রাখতে বলা হয় মতবিনিময়কালে। কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়। নির্বাচন ঘিরে যে কোনো ধরনের গুজব প্রতিরোধে সাইবার স্পেসে মনিটরিং বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ক্ষেত্রে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারকে বিশেষ ভূমিকা রাখতে বলা হয়। এ ছাড়া নির্বাচনকালে বিভিন্ন বাহিনী বা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতেও বলা হয়েছে মাঠ পুলিশকে।

পুলিশ সূত্র জানায়, গতকাল সকালে প্রধান উপদেষ্টা এবং বিকালে পুলিশপ্রধানের দিক-নির্দেশনা নিয়েই ৬৪ জেলার পুলিশ সুপারসহ মাঠ পুলিশের ইউনিট প্রধানগণ নিজ নিজ ইউনিটে ফিরে যাচ্ছেন। সেখানে গিয়েই নিরপেক্ষ ভোট অনুষ্ঠানে যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করবেন। পুলিশ সদর দপ্তর পুরো বিষয়টি তদারকি করবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সময়ে সময়ে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নির্দেশনা দেওয়া হবে। প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন নিয়ে গতকাল যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন কার্যক্রম পুলিশ সদর দপ্তর থেকে তদারকি করা হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো দলের পক্ষে পুলিশ যেন লেজুড়বৃত্তি করতে না পারে, এ বিষয়ে মাঠ পুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


Also News   Subject:  জাতীয়   নির্বাচন   অবৈধ অস্ত্র   গুজব   চ্যালেঞ্জ  







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: info@jobabdihi.com , contact@jobabdihi.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft