প্রকাশ: শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৩৮ পিএম

এক সময় তারা দুইজনই ওমানে চাকুরি করতেন। দুজনার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হওয়ার পর তারা বিয়ে করে সংসার পেতেছিলেন। কিন্তু তখন ভালো মানুষের মুখোশে ঢাকা স্বামীর কুৎসিত রূপ দেখতে পারেননি। যখন বুঝলেন ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। এরই মধ্যে তার স্বামী তার সাথে প্রতারণা করে হাতিয়ে নিয়েছে ১৫ লাখ টাকা।
ওমান প্রবাসী প্রতারক স্বামী সাগর হোসেন শিহাবের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও তার স্বামীর পরিবারের হাতিয়ে নেয়া ১৫ লখ টাকা ফেরতের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ সীমা খানম। এক্ষেত্রে তিনি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইজিপিসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের জরুরী হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
গতকাল শনিবার বেলা ১২টার দিকে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যালয়ে আযোজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান গৃহবধূ সীমা খানম।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তিনিও দীর্ঘদিন ওমানে ছিলেন। সেখানে সাগর হোসেন শিহাবের সঙ্গে পরিচয় হয়। সেও ওমানে চাকরি করতো। পরবর্তীতে তারা সেখানে বিয়ে করেন। গত ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই তারা দুজন দেেেশ ফেরেন। দেশে আসার পর ভাটারা থানা এলাকার একটি কাজী অফিসে পারিবারিকভাবে আবারো তাদের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের তিনদিন পর সাগর তার কাছ থেকে নগদ ৪ লাখ টাকা নিয়ে ওমানে চলে যান। সেখানে থেকে বিভিন্ন সময় একাধিক নম্বরে বিকাশের মাধ্যমে তার কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা নেয়। শুধু সেই নয় তার বাবাও বিভিন্ন কথা বলে সীমার কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা নেয়। টাকা চাইতে গেলে তাদের প্রতারণার বিষয়টি প্রকাশ পায়। তখন তিনি বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপর সাগরের এলাকা ভোলা থানা পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যাক্তদের স্বরণাপন্ন হলেও কোন সুরাহা হয়নি। বর্তমানে অভিযুক্তরা গৃহবধূ সীমাকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে সাগরের পরিবার।
তিনি আরও জানান, এমতাবস্থায় পাওনা টাকা ফেরত পেতে এবং প্রতারক স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইজিপিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপের দাবি জানান ভুক্তভোগী গৃহবধূ সীমা খানম।