প্রকাশ: শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫, ৫:৩৮ পিএম

অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে লাওসকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ দল। দ্বিতীয় ম্যাচে রীতিমতো গোল উৎসব করল আফঈদা খন্দকারের দল। তিমুর লেস্তে বা পূর্ব তিমুরের জালে গুনে গুনে ৮ বার বল জড়িয়েছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।
ভিয়েনতিয়েনের নিউ লাওস ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে আজ প্রথমার্ধেই ৪ গোল পায় বাংলাদেশ। বল জালে জড়ান সিনহা জাহান শিখা, শান্তি মার্ডি, নবীরণ খাতুন ও তৃষ্ণা রানী। শুরুর ১৫ মিনিটে অনেকগুলো সুযোগ হারায় বাংলার বাঘিনীরা। ২০ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল আসে। স্বপ্না রানীর কর্নার থেকে নিখুঁত হেডে লক্ষ্যভেদ করেন শিখা।
ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফর্মে থাকা শান্তি মার্ডি। ৩২তম মিনিটে তার নেওয়া কর্নার তিমুর লেস্তের পোস্টে লেগে জালে চলে যায়। এর ঠিক চার মিনিট পর আবার মার্ডির কর্নার, এবার চমৎকার হেডে গোল করেন নবীরণ খাতুন। ৪৯ মিনিটে মোসাম্মত সাগরিকার বাড়ানো বল আলতো শটে জালে জড়িয়ে স্কোর ৪-০ করেন তৃষ্ণা রানী।
দ্বিতীয়ার্ধেও সমান চার গোল দেয় বাংলাদেশ। এই অর্ধে প্রথম গোল দেন তৃষ্ণা। গোলমুখে জটলার ভেতর থেকে বল পেয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের পঞ্চম গোল পূরণ করেন তিনি। ৭৩তম মিনিটে ম্যাচে নিজের প্রথম ও দলের ষষ্ঠ গোল দেন মোসাম্মৎ সাগরিকা। আগরে ম্যাচে জোড়া গোল দিয়েছিলেন এই তারকা। ৮১তম মিনিটে বাম দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা সাগরিকার আড়াআড়ি পাস টোকায় জালে জড়িয়ে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন তৃষ্ণা। আর যোগ করা সময়ে মুনকি আক্তার দলের অষ্টম গোলটি করেন।
অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ‘এইচ’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশের অপর প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া। এই গ্রুপে শীর্ষে থাকতে পারলেই সরাসরি এশিয়ান কাপ খেলবে বয়সভিত্তিক এই দলটি। দ্বিতীয় হলেও সুযোগ থাকবে। কারণ আট গ্রুপের সেরা আট দলের সঙ্গে সেরা তিন গ্রুপ রানার্সআপ দলও পাবে আগামী বছর থাইল্যান্ডে মূল পর্বে খেলার সুযোগ।