
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জের সখিপুরসহ বিভিন্ন স্থানে অসহায় মানুষের পাশে এখন তারুণ্যের সখিপুর ফাউন্ডেশন। এতিম খানায় খাবার পৌছে দেওয়া, দুস্থ্য মানুষের ঘরে খাবার পৌছে দেওয়া, রাস্তার ধারে অসহায় মানুষদের খাওয়ানো থেকে শুরু করে নানান সেবামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে তারা।
এক অসহায় ক্ষুধার্ত পথচারির সাথে আলাপ কালে বলেন, মাঝে মাঝে না খেয়ে থাকি বাবা, কেউ কিছু দিলে খাই না দিলে না খাই, মাঝে মাঝে না খাইয়াও থাকি, ইরাম ছেলেটা আমাকে খাওয়াইয়া দিছে, বাজার করে দিলো বাবা অনেক দিন খাইতে পারমু বাবা, মন খুলে তার জন্য দুয়া করমু,, আল্লাহ যেন তোমাকে এমন করে আরো মানুষ কে সহযোগিতা করার ক্ষমতা দেয়।
প্রতিনিয়ত অসহায় মানুষের পাশে কোন না কোন ভাবে ফাউন্ডেশন এবং প্রতিনিয়ত পাঠানোহয় বিভিন্ন এতিমখানা, মাদ্রাসায়, ও অসহায়, দুস্থ মানুষের বাড়িতে খাবার, এবং কি রাস্তার পাশে পরে থাকা মানুষ কে বাড়িতে নিয়ে নিজ হাতে খাওয়ানো হয় খাবার । অনেকেই খাবার মুখে পেয়ে আনন্দের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন ।
এবিষয়ে তারুণ্যের সখিপুর ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইরাম সরদার এর কাছে কিছু জানতে চাইলে তিনি বলেন, মানুষের মুখে হাসি দেখলে আমার কেন জানি খুব ভালো লাগে, রাস্তার পাশে ধারে পরে থাকা তারাও তো মানুষ, আমি সব সময় তাদের স্থান থেকে আমাকে দেখি, আল্লাহ তায়ালা আমাকে তাদের মতো করেই সৃষ্টি করেছেন তারাওতো শ্রেষ্ঠ ইনসান, আমরা কিছুই না, আমরা শুধু সেচ্ছাসেবী হিসাবে আমাদের চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছি, মহান আল্লাহ তায়ালা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে ইবাদাত দিয়েছেন সেই ইবাদাত এর কিছু অংশ হিসেবে আমি এবং আমরা এটুকু করে যাচ্ছি, কেননা মহান আল্লাহ তায়ালা দরিদ্র, অসহায়, অসুস্থ ও বিপদগ্রস্ত মানুষের সেবা করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। কেননা আল্লাহ তাআলা সমগ্র মুমিন জাতিকে বানিয়েছেন এক দেহের মতো করে। ফলে দেহের কোনো অংশ আক্রান্ত হওয়া মানে গোটা দেহ আক্রান্ত হওয়া। রাসুল (স.) বলেছেন, ‘মুমিনদের উদাহরণ তাদের পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়ার্দ্রতা ও সহানুভূতির দিক থেকে একটি মানবদেহের ন্যায়; যখন তার একটি অঙ্গ আক্রান্ত হয়, তখন তার সমস্ত দেহ ডেকে আনে তাপ ও অনিদ্রা। তাই আমি বলবো এই কৃতিত্ব আপনাদের এই কৃতিত্ব আপনাদের সবার, এভাবেই সব সময় আমরা মানুষের পাশে দাঁড়াবো, কারণ তারাও তো মানুষ, আর তাদের জন্য সামান্য কিছু করতে পারাতেই আমাদের আনন্দ।