প্রকাশ: শুক্রবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৩, ৯:২০ পিএম

নেদারল্যান্ডসের সাম্প্রতিক ফর্ম দেখে মনে হয়েছিল– আফগানিস্তানের সঙ্গে তাদের ম্যাচটা রোমাঞ্চ ছড়াবে! কিন্তু বিশ্বকাপের আর আট-দশটি ম্যাচের মতো একেবারে একপেশে এক ম্যাচ হয়ে গেল লখনৌতে। নেদারল্যান্ডসের দেওয়া ১৮০ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়ায় তেমন বেগ পেতে হয়নি আফগানিস্তানকে।
যদিও শুরুর দিকে রহমানউল্লাহ গুরবাজকে ফিরিয়ে ভিন্ন আভাসই দিয়েছিল ডাচরা। এর পরের গল্পটা রহমত শাহ ও হাশমতউল্লাহ শহিদীর লেখা। দুজনের ব্যক্তিগত অর্ধশতকে আফগানিস্তান ৭ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে।
সেমিফাইনালে ওঠার লক্ষ্যে আফগানদের জন্য ম্যাচটি ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে ৬ ম্যাচের তিনটিতে জিতে হাশমতউল্লাহ শহিদীর দল। ডাচদের সঙ্গে ম্যাচ শেষে তারা সেই সংখ্যা ৪-এ নিয়ে গেল।
অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে দুটি দল সেমিতে ওঠার সুযোগ রয়েছে। এই ম্যাচ জয় সেমির পথে অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে রশিদ-মুজিবদের। এরপর তাদের সামনে আরও দুটি ম্যাচ রয়েছে।
বিপরীতে চলতি আসরে দুটি ম্যাচ জেতা নেদারল্যান্ডস তেমন প্রতিদ্বন্দ্বীতা দেখাতে পারেনি আজ। লখনৌর ইকানা স্টেডিয়ামে আজ (শুক্রবার) ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে তাদের গলার কাঁটা হয়ে এসেছিল বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ৪টি রানআউট। শেষ পর্যন্ত এক ফিফটিতে ডাচরা ১৭৯ রানের পুঁজি দাঁড় করায়।
কিন্তু ম্যাচ জেতার জন্য তা যে যথেষ্ট নয়, সেটি তারা বল করতে নেমেই বুঝে যাওয়ার কথা! রহমত ও অধিনায়ক শহিদীর ফিফটি মাত্র ৩১.৩ ওভারে আফগানদের জয় নিয়ে আসে। তিন ডাচ বোলার একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
রানতাড়ায় ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে হোঁচট খায় আফগানিস্তান। ব্যক্তিগত ১০ রানেই লোগান ভ্যান বিকের বলে উইকেটরকক্ষক স্কট এডওয়ার্ডসকে ক্যাচ দেন আফগান ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ। প্রথমে আম্পায়ার আউট দেননি, রিভিউ নিয়ে সফলতা পান ডাচ অধিনায়ক এডওয়ার্ডস।
এ নিয়ে চলতি তিনি চলতি বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের মোট ১৪টি উইকেট পতনে অবদান রেখেছেন। শুরুতে উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি আফগানরা। বিশ্বকাপজুড়ে তাদের টপ ও মিডল অর্ডার ব্যাটারদের দারুণ ফর্মে ব্যাট করতে দেখা গেছে। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি।