প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৩, ৫:৫৯ পিএম

ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত ফিলিস্তিনিদের নিহতের সংখ্যা ১,৩৫৪ জনে পৌঁছেছে। জাতিসংঘের মতে ইসরায়েলি হামলার কারণে গাজায় কমপক্ষে তিন লাখ ৩৮ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, দেশটিতে ইসরায়েলের বোমা হামলায় আরও ছয় হাজার ৪৯ জন আহত হয়েছেন। অপরদিকে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের আক্রমণে ইসরায়েলের প্রায় ১৩০০ মানুষ নিহত হয়েছে।
তবে টানা পাঁচ দিন ধরে ইসরায়েলি বিমান হামলা এবং অবরোধের মধ্যে থাকার পর গাজার মানবিক পরিস্থিতি ক্রমে খারাপ হয়ে উঠছে।
রেডক্রস সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, জ্বালানি সংকটের কারণে গাজার হাসপাতালগুলো মর্গে বা মৃতদেহ রাখার স্থানে পরিণত হয়ে উঠতে পারে।
উপত্যকার একমাত্র বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি জ্বালানির অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। হাসপাতালগুলো হাজার হাজার আহত রোগীতে পূর্ণ হয়ে গেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের ওষুধ শেষ হয়ে আসছে।
গতকাল জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে গাজার একমাত্র বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে গেছে। যার কারণে গাজার লাখো বাসিন্দা বিদ্যুৎ-বিহীন হয়ে পড়েছেন। গাজার বেশিরভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় ইসরায়েল থেকে।
তবে গাজার বাসিন্দারা বিবিসিকে জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা তাদের কাছে নতুন কিছু নয়। এক নারী বলেন, “আমার যতদূর মনে পড়ে বহু বছর যাবত আমরা বিদ্যুৎ যাওয়া-আসার সমস্যায় রয়েছি।”
গাজায় বিদ্যুৎ ছাড়াও খাদ্য এবং পানিসহ দৈনন্দিন বিভিন্ন পণ্যের সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল।
গাজা উপত্যকায় ত্রাণ এবং ওষুধ সরবরাহ করার জন্য নিরাপদ করিডর দেওয়ার বিষয়ে ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়ছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের নিরাপদে গাজা ত্যাগের করিডর দেওয়ারও দাবি উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। জাতিসংঘ এবং মিশর গাজায় ত্রাণ সরবরাহ করছে এবং বাসিন্দাদের নিরাপদে গাজা উপত্যকা ছেড়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছে।