প্রকাশ: রোববার, ২১ মে, ২০২৩, ৭:৫১ পিএম

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার ঠেকাতে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই আইনটি সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
রোববার (২১ মে) রাজধানীর ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক কার্যালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর মহাখালীতে অনুষ্ঠিত হয় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাবিষয়ক এই সংলাপ অনুষ্ঠান। সংলাপ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন-বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গুয়েন লুইস।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রোধ করার জন্য বা গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়নি। সংবিধান অনুযায়ী তাঁরা এটি করতেও পারেন না। সাইবার অপরাধের বিষয়ে আইনটি করা হয়েছে। আইনের অপব্যবহার যাতে না হয় সেজন্য তিনি কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর কিছু স্থায়ী সমাধান দরকার। তাই আইনটিতে কিছু সংশোধনী আনা হবে।
সংলাপে অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য আহসান আদেলুর রহমান বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কতগুলো ধারার শাস্তি দণ্ডবিধির চেয়ে কঠোর; যেমন ২৮, ২৯ ও ৩১ ধারা। এমনকি কোনো কোনো অপরাধ পুনরায় করার জন্য যাবজ্জীবনের মতো সাজা হতে পারে।
এসব বিভিন্ন ধারার কথা উল্লেখ করে আহসান আদেলুর রহমান বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলো এগুলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য বড় বাধা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্য চ্যালেঞ্জ। এ জন্য তিনি আইনটি পর্যালোচনা করে আরও সুনির্দিষ্ট করা ও সাজা কমানোর আহ্বান জানান।
আইনটির অপব্যবহার হচ্ছে এবং অপব্যবহারের সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল।
তিনি বলেন, বর্তমান সাইবার অপরাধের জন্য আইনটির পক্ষে তিনি। কিন্তু অবশ্যই এটি সংশোধন করতে হবে।
জ/আ