প্রকাশ: সোমবার, ১৫ মে, ২০২৩, ১:২১ পিএম

চীনে কমতে থাকা জন্মহার বাড়াতে নতুন কর্মসূচি চালুর কথা জানিয়েছে দেশটির সরকার।
এরইমধ্যে নারীদের বিয়ে ও সন্তান ধারণে উৎসাহিত করার জন্য ২০টিরও বেশি শহরে অভিযান শুরু করা হয়েছে।
বিয়ে ও সন্তান-পালনকে সহজ ও আকর্ষণীয় করতে `নতুন যুগের বিবাহ` এবং `সন্তান জন্মদানের সংস্কৃতি` তৈরি করতে পাইলট প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
সরকারের জনসংখ্যা এবং উর্বরতা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন বিষয়ক জাতীয় সংস্থা দ্য ফ্যামিলি প্ল্যানিং অ্যাসোসিয়েশন এরই মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে সন্তান লালন-পালনের বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে।
সোমবার সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস এমনটি জানিয়েছে।
চীনের মহাপ্রাচীরে অন্য আত্মীয়দের কাছে একজন ব্যক্তি একটি শিশুকে ধরে রেখেছেন। রাষ্ট্র চায় যে পরিবারগুলি আরও বেশি সন্তান হোক।
প্রকল্পে গুরুত্ব পেয়েছে, বিয়েতে আগ্রহী করতে প্রচারণা, উপযুক্ত বয়সে সন্তান নেয়ার পরামর্শ, বাবা-মাকে সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব ভাগ করে দেয়া, এবং কনে পেতে বিপুল পরিমাণে অর্থের লেনদেনসহ বিভিন্ন রকের সেকেলে প্রথা বাতিলেও জোর দেয়া হয়।
পাইলট প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে পণ্য উৎপাদনের কেন্দ্রবিন্দু গুয়াংজু এবং হেবেই প্রদেশের হান্দান শহর। সংস্থাটি ইতিমধ্যে গত বছর বেইজিংসহ ২০টি বড় শহরে প্রকল্প চালু করেছে।
জনসংখ্যাবিদ হে ইয়াফু কমিউনিস্ট পার্টির ট্যাবলয়েডকে বলেছেন, `সমাজের তরুণদের বিয়ে এবং সন্তান জন্মের ধারণা সম্পর্কে আরও সচেতন ও আগ্রহী করতে হবে।’
প্রকল্পগুলো এমন এক কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে এগুচ্ছে যখন বাসিন্দাদেরকে সন্তান ধারণে উদ্বুদ্ধ করার জন্য কর মওকুপ, আবাসনে ভর্তুকি এবং তৃতীয় সন্তানের জন্য বিনামূল্যে বা ভর্তুকিযুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থার সুবিধাও রয়েছে।
ছয় দশকের মধ্যে চীনের প্রথম জনসংখ্যা হ্রাস এবং দ্রুত বয়স্কদের সংখ্যা বাড়ায় উদ্বিগ্ন সরকারের রাজনৈতিক উপদেষ্টারা মার্চ মাসে প্রস্তাব করেন যে অবিবাহিত নারীদের উর্বরতার হার বাড়ানোর জন্য অন্যান্য সেবার মধ্যে তাদের ডিম্বাণু সংরক্ষণ এবং আইভিএফ চিকিত্সার সুযোগ থাকা উচিত।
সূত্র: রয়টার্স
জ/আ