প্রকাশ: রোববার, ১৪ মে, ২০২৩, ৪:২৭ পিএম আপডেট: ১৪.০৫.২০২৩ ৭:৩৪ পিএম

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ আছড়ে পড়েছে উপকূলে। মিয়ানমারের সিত্তে অঞ্চলে আঘাত হানার সময় ঝড়টির কেন্দ্রের একাংশ তাণ্ডব চালিয়েছে কক্সবাজারে সেন্ট মার্টিন দ্বীপেও।
সেখানে ঘরবাড়ি ও গাছপালা সহ বহু স্থাপনা ভেঙে পড়েছে। ঝড়ে গাছ ভেঙে চাপা পড়ে এক নারীসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১৪ মে) দুপুর ১টার দিকে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার তাণ্ডব চালায় সেন্ট মার্টিনে।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে বাতাসের গতি। দুপুর দেড়টার দিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সিত্তে শহরে ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার (কিমি) বেগে বাতাসের গতি নিয়ে আঘাত হানার সময় সেন্ট মার্টিনেও তীব্র ঝোড়ো হাওয়া দেখা দেয়।
এতে বিভিন্ন ঘরের টিন, চালা উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি অনেক পাকা ঘরের পানির ট্যাংকও ছিটকে গিয়ে দূরে পড়ে। এমনকি পাকা ভবনও ঝোড়ো হাওয়ায় কাঁপতে থাকে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের পর মোখা কক্সবাজার ও উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করার সময় সেন্ট মার্টিনে বাতাসের গতিবেগ প্রচণ্ডভাবে বাড়তে থাকে।
একইসঙ্গে বাড়ে সাগরের পানির উচ্চতা। চলতে থাকে ভারী বর্ষণও। এতে আতঙ্ক বাড়ে দ্বীপের বাসিন্দাদের মধ্যে। সেই আতঙ্কের মধ্যেই শুরু হয় মোখার তাণ্ডব।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, এই মুহূর্তে সেন্ট মার্টিনে বাতাসের গতি প্রচুর। অনেক ঘরবাড়ি উড়িয়ে নিয়ে গেছে। শুনেছি গাছ পড়ে এক নারীর মৃত্যুও হয়েছে। কিন্তু বৈরী পরিবেশের কারণে বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।
চেয়ারম্যান আরও বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাতাসের তীব্রতাও বাড়ছে। এখন জোয়ারের সময়। বাতাসের সঙ্গে যদি জোয়ারও আসে, তাহলে সাগরের পানি কূলে চলে আসবে। এই মুহূর্তে মানুষ খুবই আতঙ্কিত। তাদের সাহস-সান্ত্বনা দেয়া হচ্ছে।