প্রকাশ: রোববার, ৭ মে, ২০২৩, ৯:১৩ পিএম

গরুর মাংস নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। তাই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনার জন্য ও টিসিবির মাধ্যমে গরুর মাংস আমদানির দাবিতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ট্রেডিং কর্পোরেশন অফ বাংলাদেশ (টিসিবি) এর চেয়ারম্যানকে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।
রোববার (৭মে) রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিশটি পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান।
নোটিশে বলা হয়েছে, গরুর মাংস বাংলাদেশর সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের অন্যতম প্রধান খাদ্য। কিন্তু বাজারে গরুর মাংসের দাম অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। গরুর মাংস ইতিমধ্যে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের অন্যতম প্রধান খাদ্য গরুর মাংসের যোগান ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যার্থতার মাধ্যমে সরকার জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা সুরক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে যা বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫ এর লঙ্ঘন।
অপরদিকে গরুর মাংসের যোগান ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যার্থতার মাধ্যমে সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ যথাযথ পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হয়ে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে যা আমাদের সংবিধানের মৌলিক অধিকার ৩১ ও ৩২ এর সরাসরি লঙ্ঘন।
'আমদানি নীতি ২০২১-২৪, অনুযায়ী গরুর মাংস একটি আমদানি যোগ্য পণ্য। অপরদিকে দিকে ‘দ্য ট্রেডিং কর্পোরেশন অফ বাংলাদেশ অর্ডার’ ১৯৭২ এর ধারা ১২ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির মাধ্যমে বাজারে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে বাজার মূল্য সহনীয় রাখা টিসিবির আইনি কর্তব্য। কিন্তু টিসিবি বিদেশ থেকে গরুর মাংস আমদানি না করে তার আইনি কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হয়েছে।
অপরদিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত এসব মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ব্যর্থতার জন্য বাজারে গরুর মাংস নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।
এরফলে বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫ ও মৌলিক অধিকার ৩১/৩২ লঙ্ঘন হচ্ছে।’
তাই ওই নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অবিলম্বে গরুর মাংসের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনার জন্য এবং টিসিবির মাধ্যমে গরুর মাংস আমদানি করে বাজারে প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা হিসেবে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে।
জ/আ