প্রকাশ: রোববার, ১৯ মার্চ, ২০২৩, ১১:২৩ এএম

ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফেন্ডশিপ পাইপলাইনে ডিজেল সরবরাহ উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (১৮মার্চ) বিকেলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই পাইপলাইনটির ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেছেন।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন বা বিপিসি অবশ্য বলছে, এতদিন যে পদ্ধতিতে ভারত থেকে ডিজেল আনা হচ্ছিলো সেটি আদর্শ ছিলো না বরং এখন নতুন পাইপলাইন হয়ে যাওয়ায় ‘তুলনামূলক কম খরচে’ এবং ‘রিয়েল টাইমে’ জ্বালানি পাওয়া যাবে।
উদ্বোধনী দিনে ভারতের নুমালীগড় থেকে পাইপলাইনে বাংলাদেশের পার্বতীপুর ডিপোতে প্রায় ৯০ লাখ লিটার ডিজেল এসেছে। এই পাইপলাইনের প্রকল্প কর্মকর্তা টিপু সুলতান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
পাইপলাইন দিয়ে আমদানি করা ডিজেল উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় সরবরাহ করা হবে। এতদিন ভারত থেকে রেল ট্যাংকারে তেল আমদানি করা হতো।
ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান নুমালীগড় রিফাইনারী লিমিটেডের শিলিগুড়ির মার্কেটিং রেল টার্মিনাল থেকে বাংলাদেশের বাংলাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) রেলহেড অয়েল ডিপো পর্যন্ত ১৩১ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার পাইপলাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
এরমধ্যে ভারতীয় অংশে ৫ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশ অংশে ১২৬ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার পড়েছে।পাইপলাইনের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ অংশে ৫টি এসভি স্টেশন (সেকশনালাইজিং ভালভ) স্থাপন করা হয়েছে। ৩০ কিলোমিটার পর পর একটি এসভি স্টেশন রয়েছে।
তবে রিসিপ্ট টার্মিনালে এখনও অনেক কাজ বাকি রয়েছে। সাড়ে ২৮ হাজার টন ধারণ ক্ষমতার ৬টি ফুয়েল ট্যাংক, অগ্নিনির্বাপণ কাজের জন্য তিন হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতার দুটি ওয়াটার ট্যাংক, অগ্নিনির্বাপক ফোম রাখার জন্য ২ হাজার ৫শ লিটার ধারণ ক্ষমতার দুটি ব্লাডার ট্যাংক ও অটোমোশন সিস্টেম স্থাপনসহ অন্যান্য কাজ চলছে।
দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী ২০১৮ সালে ১৮ সেপ্টেম্বর ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে শিলিগুড়ি মার্কেটিং রেল টার্মিনালে এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
জ/আ