
এইচএসসির ফলাফলে দাউদকান্দির ৯টি কলেজের মধ্যে পাশের হারে শীর্ষস্থানে রয়েছে বরকোটা স্কুল এন্ড কলেজ। আর সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে জুরানপুর আদর্শ ডিগ্রী কলেজ। এ কলেজের ৩৮৩ জন পরীক্ষার্থী এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দাউদকান্দিতে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় ৯ টি কলেজ থেকে ৩টি বিভাগে ২ হাজার ৭৪২ জন অংশ নেয়। তন্মধ্যে পাশ করেছে ২ হাজার ৪৯১ জন। ফেল করেছে ২৫১ জন। উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৫৩ জন। পাশের হার ৯০ দশমিক ৮৪।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, জুরানপুর আদর্শ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা এবারের এইচএসসির ফলাফলে উপজেলায় সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, এ কলেজ থেকে ৩টি বিভাগে ৫৬৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৫৬১ জন। ফেল করেছে ৫ জন। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৩৮৩ জন। পাশের হার ছিলো ৯৯.১২ ভাগ।
বরকোটা কলেজ পাশের শতকরা ৯৯.৮৩ ভাগ নিয়ে উপজেলায় শীর্ষস্থানে রয়েছে। এ কলেজ থেকে ৩টি বিভাগে ৫৯৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৫৯৫ জন। ফেল করেছে ১ জন। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ২২২ জন।
তৃতীয় স্থানের রয়েছে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কলেজ। এ কলেজ থেকে ৩টি বিভাগে ৪২৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৪২০ জন। ফেল করেছে ৩ জন। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ১১৪ জন। পাশের হার শতকরা ৯৯.২৯ ভাগ।
ড. মোশাররফ ফাউন্ডেশন কলেজ কলেজ থেকে ৩টি বিভাগে ৫০৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৫০২ জন। ফেল করেছে ৭ জন। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৯১ জন।
পাশের হার ছিলো ৯৮.৬২ ভাগ। মোল্লাকান্দি লাল মিয়া কলেজ থেকে ৩টি বিভাগে ৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৮৮ জন। ফেল করেছে ২ জন। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ২৫ জন।
পাশের হার ছিলো ৯৭.৭৮ ভাগ। ভাজরা কলেজ থেকে ৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৬ জন। বেগম রাবেয়া গার্লস কলেজ থেকে ৩টি বিভাগে ৭২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৭১ জন। ফেল করেছে ১ জন। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৮ জন। পাশের হার শতকরা ৯৮.৬১ ভাগ।
প্রতি বছরের মতো এবার ফলাফলে পিছিয়ে রয়েছে উপজেলার দু'টি সরকারী কলেজ।
হাসানপুর সরকারী কলেজ থেকে ৩টি বিভাগে ২৬৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে মাত্র ১৫৫ জন। ফেল করেছে ১১৪ জন। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৪ জন। পাশের হার ছিলো ৫৭.৬২ ভাগ।
উপজেলায় পাশের হার সবচেয়ে কম গৌরীপুর মুন্সি ফজলুর রহমান সরকারি কলেজে। এ কলেজ থেকে ৩টি বিভাগে ২০৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে মাত্র ৯৩ জন। ফেল করেছে ১১৬ জন। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৬ জন। পাশের হার শতকরা ৪৪.৫০ ভাগ।
বরকোটা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ জসিম উদ্দন জানান, কলেজের সব বিষয়েই আমরা অত্যন্ত যত্নশীল। প্রতিষ্ঠানটিকে সার্বিক মানদণ্ডে এগিয়ে রাখার সর্বোচ্চ আন্তরিক কলেজের সভাপতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. কামাল উদ্দিন স্যারের প্রচেষ্টাই প্রতিষ্ঠানটিকে উপজেলায় শীর্ষস্থানে পৌছে দিয়েছে।
জ/আ