
দেশের বিভিন্ন এলাকায় আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে গরু চুরির ঘটনা। অনেক জায়গায় কৃষকরা দলবদ্ধ হয়ে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে।
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় গরু চুরি ও ছিনতাইয়ের প্রতিকার না পেয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ভুক্তভোগী কৃষকরা।
১৯ নবেম্বর উপজেলার ফকির মজনুশাহ সেতু সংলগ্ন শহীদ তাজউদ্দিন চত্বরে শনিবার সকাল ১১ টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী এ ব্যতিক্রমী মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন উপজেলার কৃষক খামারি ফরিদ আহমেদ, নজরুল ইসলাম,রুহুল আমিন,সুলতান খাঁন,তমিজ উদ্দিন আকন্দ,সারফুদ্দিন,মান্নান ভুইয়া,মনজুরুল ইসলাম কাউসার জামিল হারুন আকন্দ প্রমুখ।
এ সময় তারা অভিযোগ করে বলেন, রাত জেগে পাহারা দিয়েও এ এলাকায় গরু চুরি রোধ করা যাচ্ছে না। আর গরু চুরি হলে থানায় অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার পাচ্ছে না।
তারা গরু চুরি রোধকরণে পুলিশ প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ মানববন্ধনে কয়েকশ কৃষক অংশ গ্রহণ করেন।পরে তারা কাপাসিয়ার সাংসদ সিমিন হোসেন রিমি এমপি,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান,উপজেলা নির্বাহী অফিসার,থানা অফিসার ইনচার্জ ও উপজেলা প্রানী সম্পদ দফতরে একটি স্মারক লিপি জামা দেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি পাবুর গ্রামের আঃ বাতেন খাঁনের ৩টি,কাশেম খাঁনের ৪ টি গরু ও একই রাতে পার্শ্ববর্তী দরদরিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেমের বাড়ি থেকে ৪টি গাভী,১ টি ষাঁড় ও একটি বাছুর দুর্বৃত্তরা অস্ত্রের মুখে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
গরু চরির বিষয়ে আবুল হাসেম থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। কয়েকমাস আগে একই ইউনিয়নের কফিল উদ্দিন তাঁর চাচাতো ভাই আতিকুল ও বিল্লাল হোসেনের গোয়ালঘর থেকে আটটি গরু চুরি হয়।
তার পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের খামারি কৃষকরা গরু চুরি রোধ করতে লাঠিসোঠা নিয়ে দলবদ্ধভাবে পালাক্রমে রাতজেগে পাহারা দিয়েও গরুচুরি ও ছিনতাই ঠেকাতে পারছেন না।
এ প্রসঙ্গে থানা অফিসার ইনচার্জ এএফএম নাসিম জানায়,গরু চুরির সম্পর্কে আমি অবগত আছি।পুলিশের টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।পুলিশ চোরদের ধরতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে।