প্রকাশ: বুধবার, ২০ জুলাই, ২০২২, ৩:২২ পিএম আপডেট: ২০.০৭.২০২২ ৪:২৯ পিএম

প্রধানমন্ত্রী থেকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়া রনিল বিক্রমাসিংহে শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। আজ বুধবার পার্লামেন্টে ভোটের মাধ্যমে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ২২৫ পার্লামেন্টারি ভোটের মধ্যে তিনি পান ১৩৪ ভোট।
এদিকে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে শ্রীলঙ্কার আন্দোলনকারীরা। রণিল বিক্রমাসিংহকে প্রেসিডেন্ট মানতে নারাজ দীর্ঘদিন রাস্তায় থাকা আন্দোলনকারীরা। সাবেক প্রেসিডেন্ট গোটাবাইয়া রাজাপাকসে পদত্যাগের পর থেকেই বিষয়টি বলে আসছিলেন তারা। কিন্তু পার্লামেন্টের ভোটে প্রেসিডেন্ট পদে জয় পেয়েছেন রণিল বিক্রমাসিংহে।
বিক্ষোভের মুখে গত সপ্তাহে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপকসে। পরে ইমেইলে তিনি নিজের পদত্যাগপত্র পাঠান। আজ বুধবার সকালে পার্লামেন্টের সেক্রেটারি জেনারেল ধাম্মিকা দাসানায়েক কোরাম বেল বাজানোর পর গোপন ব্যালটে বুধবার ভোটগ্রহণ শুরু হয়। পার্লামেন্টের ২২৫ জন আইনপ্রণেতা ভোট দেন।
প্রেসিডেন্ট পদের জন্য প্রার্থী ছিলেন তিন জন। তারা হলেন- অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে, ক্ষমতাসীন দলের ডুলাস আলাহাপেরুমা ও বামপন্থী জনতা বিমুক্তি পেরামুনা (জেভিপি) দলের অনুর কুমার দিসানায়েক।
তিন প্রাথীর মধ্যে রনিল বিক্রমাসিংহে পেয়েছেন ১৩৪ ভোট। ডুলাস আলাহাপেরুমা পেয়েছেন ৮২ ভোট। আর অনুর কুমার দিসানায়েক পেয়েছেন ৩ ভোট। নির্বাচিত নতুন প্রেসিডেন্ট ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত গোটাবায়া রাজাপাকসের উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
আল-জাজিরার সাংবাদিক মিনেলে ফার্নান্দেজ শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলোম্বো থেকে জানিয়েছেন, পার্লামেন্টের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে নারাজ বিক্ষোভকারীরা। তারা আবারও বড় আন্দোলনে যাচ্ছেন। রণিল বিক্রমাসিংহেকে রাজাপাকসে পরিবারের মিত্র বলেই ধরে নেয়া হয়। তাই তাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে আন্দোলনকারীরা মানতে পাড়ছে না। তারা মনে করেন, বিক্রমাসিংহেকে জেতাতে রাজাপাকসে পরিবারই হস্তক্ষেপ করেছে। আর এ কারণেই দেশজুড়ে এতো ক্ষোভ। যে প্রক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে তা নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে আন্দোলনকারীদের।
-জ/আ