প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০২২, ২:১৯ পিএম

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. খুরশিদ আলম বলেন, ৫-১১ বছরের শিশুদের টিকা আলাদা। এটা পয়েন্ট টু এমএলের ডোজ। এই টিকার ভায়াল আলাদা ও সিরিঞ্জ আলাদা। চলতি মাসের শেষে আমাদের বেশকিছু টিকা ও সিরিঞ্জ এসে পৌঁছাবে।
আমরা আশা করছি, চলতি মাসের শেষে ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের করোনার টিকা প্রয়োগ শুরু করতে পারবো।
মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বুস্টার ডোজ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, আমরা এরই মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছি। এটার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে একটি মিটিং হবে। এরপর একযোগে সারাদেশে কার্যক্রম শুরু করবো। প্রাথমিকভাবে আমরা ঢাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করবো, পর্যায়ক্রমে সারাদেশে চালু করা হবে।
আজ একদিনের ক্যাম্পেইনে ৭৫ লাখ টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. খুরশিদ আলম বলেন, এটা দিন শেষে বলা যাবে। যদি এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হয় তাহলে আগামী আরও দুই দিন এই কার্যক্রম চলবে।
মহাপরিচালক আরো বলেন, মানুষের এখন টিকা নেয়ার আগ্রহ অনেক কমে গেছে। আগে যেরকম ভয়াবহতা ছিল প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পরে সেই ভয়াবহতা না থাকায় আমরা তাদের মধ্যে আগ্রহ কম দেখছি। আমরা চেষ্টা করছি প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে তাদের আগ্রহ বাড়ানোর। মিডিয়া এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেহেতু করোনার প্রকোপ আবার বাড়ছে তাই সবাইকে বুস্টার ডোজ নেয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
এ সময় - ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক, ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক ডা. মো আশরাফুল আলমসহ অধিদফতরের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
-জ/অ