প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০২২, ৪:৩৭ পিএম

খালেদা জিয়াকে ‘হত্যার হুমকির’ প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকা ছাড়া সব মহানগর ও জেলা সদরে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
মঙ্গলবার(২৪ মে) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কর্মসূচির ঘোষণা করেন।
২৩ মে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি জানান, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হত্যার হুমকির’ প্রতিবাদে আগামী ২৬ মে (বৃহস্পতিবার) ঢাকা ব্যতিত সকল মহানগর ও জেলা সদরে বিএনপি এবং সকল অঙ্গ-সংগঠন যৌথভাবে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত করবে।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ড. ইউনুসসহ দেশের সিনিয়র সিটিজেনদের সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, বৈঠকে বলা হয়- আওয়ামী সভানেত্রী শেখ হাসিনার এই বক্তব্য বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকির শামিল। অনির্বাচিত সরকারের সরকার প্রধান হিসাবে এই মন্তব্য অত্যন্ত বিপদ জনক এই কারণে যে, নির্বাহী বিভাগের প্রধান যখন পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন তখন তা হত্যার নির্দেশের পর্যায়ে পড়ে।
'বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. ইউনুসকেও একই ধরনের হুমকি দেন যা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বিবর্জিত, অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ। বৈঠক এই উক্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।'’
মির্জা ফখরুল জানান, সিলেটের বন্যা উপদ্রুত এলাকায় বিএনপির পক্ষ থেকে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং ত্রাণ কার্য পরিচালনার জন্য দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহত্তর সিলেট জেলার বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠন সমূহের সকল নেতা-কর্মীদের বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিষ্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস,গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন।
-জ/অ