প্রকাশ: সোমবার, ২৩ মে, ২০২২, ৪:৫৫ পিএম

মেহেরপুর গাংনী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি গঠনে পদ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। গত ২০ মে ঘোষিত ৭ সদস্যের কমিটি ঘোষনা করা হয়।
কমিটিতে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে সভাপতি হিসেবে শাহিন রেজা নাম ঘোষণা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন আরেক সভাপতি প্রার্থী মাজেদুল ইসলাম রিমন।
রিমনের অভিযোগ মেহেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদ মুনতাসির জামান মৃদুল সভাপতি পদ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আমার কাছ থেকে প্রায় ২ লাখ ৫ হাজার টাকা নেয়। পরে ৫ লাখ টাকা নিয়ে শাহিন রেজাকে সভাপতি করেন।
মাজেদুল ইসলাম রিমন বলেন, আমি দির্ঘদিন ধরে গাংনী সরকারি ডিগ্রী কলেজের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। গরু বিক্রির ৮৫ হাজার টাকা ও পরে আরও ৫০ হাজার টাকা মৃদুলকে দেওয়া হয়। এছাড়াও পদ দেওয়ার কথা বলে দফায় দফায় আরও ৭০ হাজার টাকা মৃদুল আমার কাছ থেকে নেয়। কিন্তু ঢাকায় বসে গত ২০ মে ৭ সদস্যের একটি কমিটি ঘোষণা করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক। যেখানে আমাকে কোন পদে রাখা হয়নি।
এছাড়াও মাজেদুল ইসলাম রিমনের ফেসবুক আইডি থেকে গত শনিবার এবিষয়ে একটি পোষ্ট করা হয়েছে। যা হুবহু তুলে ধরা হলো- রিমন লিখেছেন, ফেসবুক বন্ধুরা আজ আমি মানসিকভাবে খুবই দুর্বল,আপনারা সকলেই জানেন আমি গাংনী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ক্যান্ডিডেট ছিলাম। আমাকে কমিটিতে আনবো বলে আমার বাবার সঙ্গে মৃদুল চিটার ২ লক্ষ্য টাকা নেই।কিন্তু সেই মৃদুল চিটার অন্য জায়গায় ৫ লক্ষ টাকা পেয়ে কমিটি বিক্রি করে দেয়। যাকে মেহেরপুর জেলা চিটার নামে চেনে, এবং গাংনীতে এমন কোন দোকানদার নাই যে মৃদুল চিটারের সাথে টাকা পাবে। সে একজন প্রকৃতপক্ষে নেশাখোর যাকে ২৪ ঘন্টায় বর্ডারে পাওয়া যায়। সেটা গাংনীর মানুষ সকলেই খুব ভালো করে জানে। সকলের কাছে আমার অনুরোধ রইল,,আমি গরিব মানুষ এর ছেলে,,যেহেতু সে আমাকে কমিটি দেয় নি,সেই জন্য সকলে আমার টাকাটাকে উদ্ধার এর ব্যাপারে আপনাদের সহযোগিতা চাই। আমি একটি সংবাদ সম্মেলনের ব্যবস্থা করব। আমার ভালোবাসার মানুষগুলো আশা করি সকলে চারটার সময় উপস্থিত হয়ে যাবেন আর সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন।
অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্য উল্লেখ করে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুনতাসির জামান মৃদুল বলেন, পদ না পাওয়ায় রিমন এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুস সালাম বাধন বলেন, যোগ্য ব্যক্তিকেই পদ দেওয়া হয়েছে। কেউ যদি পদ না পেয়ে ছাত্রলীগে বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায় তবে সেটার জন্য আমরা দায়ি না।
মৃদুল সম্পর্কে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিযোগ আমাদের কাছে আসে। সত্য মিথ্যা যাচাই করে আমরা ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিকে সুপারিশ করবো।