প্রকাশ: রোববার, ২২ মে, ২০২২, ৮:১৫ পিএম

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জমি কেনা নিয়ে অর্থ আত্মসাতের মামলায় ট্রাস্টি বোর্ডের চার সদস্যের (এমএ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান ও মোহাম্মদ শাহজাহান) জামিন আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আসামীদের তাদের শাহবাগ থানা পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করতে বলা হয়েছে। এ আদেশ শোনার পর বিশ্ববিদ্যালয়টির এক ট্রাস্টি আসামি বেনজীর আহমেদ আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়া চেষ্টা করেন। তবে পালাতে পারেননি তিনি।
রোববার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ নর্থ সাউথের চার ট্রাস্টিকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আদেশ দেওয়ার পর-পরই এই ঘটনা ঘটে।
এর আগে শুনানিকালে আদালত বলেন, মানিলন্ডারিং ও দুর্নীতি হত্যার চেয়ে বিপজ্জনক অপরাধ। একটি হত্যা একজন ব্যক্তি বা পরিবার বা সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তবে মানিলন্ডারিং ও দুর্নীতি দেশ ও জাতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। জামিন আবেদন আপিল বিভাগের রায়ের আলোকে না হওয়ায় তা খারিজ করা হলো।
এ আদেশ শোনার সঙ্গে সঙ্গে গোপনে এজলাস কক্ষ থেকে বের হয়ে যান ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ। সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে তিনি পালিয়ে যেতে থাকেন। তার উদ্দেশ্য ছিল গ্রেফতার এড়ানো। তবে আদালত ত্যাগ করে তার পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্যটি কয়েকজন সংবাদকর্মী ও একজন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের দৃষ্টিগোচর হয়।
পরে সংবাদকর্মীরা তার পিছু নেন। এ সময় আদালতের আদেশ অমান্য করে এভাবে চলে যাওয়ার কারণ তার কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। তখন ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ হতবিহ্বল হয়ে পড়েন।
বিষয়টি দেখে রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তা ও কোর্টের কর্মকর্তারা তাকে সঙ্গে নিয়ে এজলাস কক্ষে চলে আসেন। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়।
জে/ আল