প্রকাশ: বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২২, ২:১৯ পিএম

নাটোরের গুরুদাসপুরে দিনে দিনে বেড়ে চলেছে বাঙ্গির চাষ। ভালো দাম পেয়ে খুশি চাষিরা। খরা ও গরম আবহাওয়ায় রসালো ফল হিসেবে বাজারে বাঙ্গির চাহিদা রয়েছে। রোজায় এর চাহিদা দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। গত কয়েক বছর ধরে এ ফল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন নাটোরের চাষিরা।
রোজার শুরু থেকে বাজারে বাঙ্গি বিক্রি করতে দেখা গেছে চাষিদের। উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের চরকাদহ, চলনালী, পাঁচশিশা সিধুলী, সোনাবাজু, উদবাড়িয়া ও তালবাড়িয়া এলাকায় প্রচুর পরিমাণে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে বাঙ্গির। মাঠের পর মাঠজুড়ে শোভা পাচ্ছে এসব বাঙ্গি। ফলনও ভালো, সঙ্গে ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন কৃষকেরা।
জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, নাটোর জেলায় গত মৌসুমে ৮৬৮ হেক্টর জমিতে বাঙ্গি চাষ করা হয়েছিল। ২২ হাজার ১৩৫ মেট্রিক টন উৎপাদন হয়। চলতি মৌসুমে জেলায় ১১৩০ হেক্টর জমিতে বাঙ্গির চাষ করা হয়েছে। এবারও ভালো ফলনের আশা করছেন চাষিরা।
গুরুদাসপুর উপজেলার নয়াবাজার গ্রামের কৃষক রবিউল করিম শাহ বলেন, ‘এ বছর ১০ বিঘা জমিতে বাঙ্গির চাষ করেছি। প্রথম দিকে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায় ১০০ বাঙ্গি বিক্রি করেছি। এখন আমদানি বেশি থাকায় দাম কিছুটা কম।’
একই উপজেলার সিদুরী গ্রামের কৃষক মো. লিটন শাহ বলেন, ‘এ বছর বাঙ্গির ফলন বেশ ভালো হয়েছে। দামও মোটামুটি ভালো পেয়েছি। বর্তমানে দাম কিছুটা কমে গেছে বলেন জানান তিনি।’
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মাহমুদুল ফারুক বলেন, ‘নাটোর জেলায় বাঙ্গির চাষ অনেক বেড়েছে। কৃষকেরা ন্যায্য দাম পাওয়ায় বাঙ্গি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। সাথী ফসল হিসেবে বাঙ্গি চাষ করে অনেক কৃষক লাভবান হচ্ছে।