প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ, ২০২২, ৫:০৮ পিএম

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে চুয়াডাঙ্গার একটি কারখানায় তৈরি করা হতো ভেজাল ওষুধ। সেখান থেকে আনা হতো রাজধানীর মিটফোর্ড ও চকবাজারে। শুধু তাই নয়, ছড়িয়ে দেওয়া হতো কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ফেনী, পাবনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। বাজারজাতের দায়িত্বে থাকে আলাদা জনবলও।
জ্বর-ঠান্ডা, সর্দি-কাশি ও গ্যাস্ট্রিকের মতো অসুখের ওষুধ নকল করে তৈরি করে আসছিল একটি চক্র, যা ছড়িয়ে দিত রাজধানীসহ প্রত্যন্ত গ্রামের ফার্মেসিতেও। আর না জেনেই সেসব ওষুধ সেবন করে সুস্থতার বদলে আরও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। ঢাকা ও চুয়াডাঙ্গায় অভিযান চালিয়ে চক্রটির মূল হোতাসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
ঠান্ডা ও শ্বাসকষ্টের জন্য বহুল ব্যবহৃত ওষুধ মোনাস টেন আর গ্যাস্ট্রিকে ব্যবহার করা প্যান্টনিক্স ট্যাবলেট নকল করে, সেই ওষুধ তিন থেকে চার বছর ধরে বাজারে ছড়িয়ে দিয়ে আসছিল চক্রটি।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের অভিযানে ঢাকা ও চুয়াডাঙ্গা থেকে চক্রের মূল হোতাসহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ১১ লাখ ওষুধ, যার বাজারমূল প্রায় কোটি টাকা। পুলিশ বলছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার পাশাপাশি চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। পাশাপাশি ওষুধ কিনতে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ তাদের।