প্রকাশ: সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৯:০০ পিএম আপডেট: ০২.১২.২০২৪ ৯:০৩ পিএম

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলায় মিথ্যা মামলা ও হয়রানির হাত থেকে বাঁচতে ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামের মৃত আ: রাজ্জাক হাওলাদারের পুত্র জামাল হাওলাদার তার নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
২ ডিসেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫ টায় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জামাল হাওলাদার লিখিত বক্তব্য পাঠ করে জানান, প্রতিপক্ষ ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামের মো: আবুল হোসেনের স্ত্রী ফোকোরন নেছা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বিগত সময়ে আদালতে মিথ্যা একাধিক মামলা করে তাদের পরিবারকে হয়রানি করে আসছে। সম্প্রীতি সময়ে বরিশাল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফোকোরন নেছা আমাদের পরিবারকে ফাঁসাতে এসআই এনামুলের সহায়তায় গত ১৭ নভেম্বর ১১ জনকে আসামি করে আদালতে একটি মামা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং -সি. আর ৬১৬। সি আর মামলাটি বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের জন্য বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো: সফিকুল ইসলামকে আদেশ প্রদান করেন। ওই মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন থানার এস আই এনামুল হক সহিদ।
মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে মামলার বাদী পক্ষ ও আসামিপক্ষ দুই পক্ষ থেকেই ঘুষ নিয়েছেন এস আই এনামুল হক সহিদ। এসআই ঘটনাস্থলে সঠিক তদন্ত না করেই আদালতের তদন্ত প্রতিবেদন প্রদান করেছে। গত ১৩ নভেম্বর শুক্রবার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে মামলার বাদি ফোকোরন নেছা সাথে আমাদের কোন ঝগড়া-বিবাদের ঘটনা ঘটেনি। অথচ আদালতে একের পর এক মিথ্যে মামলা করে আমার পরিবারকে হয়রানি করে আসছে। ওই মামলায় ১১জন আসামি করা হলেও তদন্ত প্রতিবেদনে ৭ জন আসামির নাম বাদ দিয়েছে এস আই এনামুল হক। ওই মামলা থেকেও ৭ জনের নাম বাদ দিয়ে প্রত্যেক আসামির থেকে টাকা নিয়েছেন এসআই এনামুল হক। এবং মামলার সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানোর কথা বলে আমার থেকে সদর রোডের বাকেরগঞ্জ ওয়াজ এন্ড অপটিক্স নামের আমার বন্ধুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে আমার উপস্থিতিতে নগদ ৫ হাজার টাকা ঘুষ হিসেবে নিয়েছেন। আমাদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়েও মিথ্যে একটি ঘটনায় আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠিয়েছে। যাহাতে আমি ও আমার পরিবার মিথ্যা মামলা শিকার হয়ে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হয়েছি। এ বিষয় এসআই এনামুল হক সহিদের বিরুদ্ধে বরিশাল পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এইসব মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন জামাল হাওলাদার।