উত্তরের তিস্তা চরে আমনের বাম্পার ফলন
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪, ৪:১৩ পিএম

এবছর বছর বন্যা কম থাকায় তিস্তার বুকে জেগে ওঠা শতাধিক চরে আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, চরের কৃষকরা খেত থেকে আমন ধান কেটে ঘরে তুলেছেন। অনেকে ধান কাটছেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে চরের আমন ধান কাটা শেষ হবে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানি ইউনিয়নের ছাতুনামা চরের কৃষক হাসানুর রহমান (৫০) বলেন, এ বছর ১৩ বিঘা জমিতে আমন ধান লাগিয়েছিলাম। ১০ বিঘা জমির ধান ঘরে তুলেছি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাকি জমির ধান কাটবো।

তিনি জানান, প্রতি বিঘা জমিতে গড়ে ১৬ থেকে ১৭ মণ ধানের ফলন পেয়েছেন। গত বছর ১২ বিঘা জমিতে আমনের চাষ করেছিলেন। বন্যার কারণে বেশিরভাগ জমির ধান নষ্ট হয়েছিল। এ বছর বন্যার কম থাকায় চরের জমি থেকে আমন ধানের আশানুরূপ ফলন পেয়েছি। এদিকে বন্যার প্রকোপ কম হলেও ভাঙন থেমে নেই নদী পাড়ের এলাকাগুলোতে।

কৃষকরা বলছেন, চরে এখন ধান, ভূট্টা, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, মিষ্টি কুমড়া, শশা, মরিচ, বাদামসহ অন্তত ১৫ রকমের ফসল উৎপাদন হচ্ছে। মাটির উর্বর শক্তি, ভালো বীজ নির্বাচন আর সরকারি-বেসরকারি নানা উদ্যোগে মূল ভূখন্ডের তুলনায় এখন চরে অনেক ভালো ফসল ফলছে। 

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ওবায়দুর রহমান মন্ডল বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তিস্তার চরাঞ্চলে আমন ধানসহ নানা ধরনের ফসল ও সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। চরাঞ্চলে আমনের বাম্পার ফলন খাদ্য চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃষি বিভাগ চরাঞ্চলে কৃষকদের ধানসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদনে দিকনির্দেশনাসহ সার-বীজ দিয়ে সহায়তা করে থাকে বলেন তিনি।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: info@jobabdihi.com , contact@jobabdihi.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft